শিরোনামঃ
সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ, এবার রামিসা হত্যা মামলার চূড়ান্ত যুক্তিতর্কে পালা সারাদেশে মৃদু তাপপ্রবাহ, কিছু অঞ্চলে বৃষ্টির পূর্বাভাস বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক এক নতুন মাইলফলকে: স্পিকার এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম কমলো ভোলায় চিরনিদ্রায় শায়িত তোফায়েল আহমেদ রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে নরওয়ের জোরালো ভূমিকা চান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব বাড়াতে ঢাকা ও বার্নের নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগ ২৩ ঘরোয়া ও ৪৭ আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট নিয়ে বাফুফের মেগা বর্ষপঞ্জি প্রকাশ পরীক্ষায় ভালো করার সিক্রেট: একজন সেরা ছাত্রের পরামর্শ গোহত্যা করলে মুসলিমদের চরম পরিণতি ভোগ করার হুমকি উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর
বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন

মার্কিন অবরোধের মুখে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি ভাঙার চরম আশঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৩ বার
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬

লেবাননের বিরুদ্ধে ইসরাইলের ক্রমবর্ধমান সামরিক আগ্রাসন এবং ইরানের প্রধান সমুদ্রবন্দরগুলোতে মার্কিন নৌ অবরোধের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তেহরান। দেশটির সর্বোচ্চ নেতার প্রভাবশালী উপদেষ্টা মোহসেন রেজায়ি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে সরাসরি সতর্ক করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ লিখেছেন, ‘ইরানের ধৈর্যেরও একটা সীমা রয়েছে’। তিনি স্পষ্ট জানান, আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইন লঙ্ঘন করে এই অর্থনৈতিক ও সামরিক অবরোধ জারি রাখা এবং লেবাননে নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধি কোনোভাবেই মেনে নেবে না ইরান। এর আগে তেহরানের পক্ষ থেকে কঠোর বার্তা দিয়ে বলা হয়েছিল, কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী অতিক্রমকারী যেকোনো বিদেশী বাণিজ্যিক ও সামরিক জাহাজকে অবশ্যই ইরানের নতুন নির্দেশনা মেনে চলতে হবে; অন্যথায় সেগুলোকে সরাসরি লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে।

অন্যদিকে, ইরানের এই চরম হুঁশিয়ারি এবং দুই দেশের মধ্যকার শান্তি আলোচনা ভেস্তে যাওয়া নিয়ে বিন্দুমাত্র উদ্বেগ নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প অত্যন্ত অনমনীয় অবস্থান নিয়ে বলেন, এই কূটনৈতিক আলোচনা শেষ হয়ে গেলেও তাঁর কিছু আসে যায় না। এমনকি মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়েও তিনি ভাবছেন না দাবি করে বলেন, অদূর ভবিষ্যতেই মার্কিন কৌশলের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানির দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন একতরফা ও কঠোর মনোভাব দুই দেশের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক সমঝোতার সব পথ কার্যত বন্ধ করে দিচ্ছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতি বিশ্লেষকরা।

কাগজে-কলমে গত ৮ এপ্রিল থেকে দুই দেশের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও, বাস্তবে মাঠপর্যায়ের সংঘাত ও উত্তেজনা একটুও কমেনি। ইতিমধ্যেই দক্ষিণ ইরানের গোরুক শহর এবং কেশম দ্বীপের গুরুত্বপূর্ণ রাডার ও ড্রোন স্থাপনায় মার্কিন সামরিক হামলার খবর পাওয়া গেছে। এর জবাবে ইরানের শক্তিশালী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা ওপার থেকে এমন একটি মার্কিন বিমানঘাঁটিতে সফলভাবে দূরপাল্লার আঘাত হেনেছে, যেখান থেকে মূলত ইরানের একটি টেলিযোগাযোগ টাওয়ারে হামলা চালানো হয়েছিল। ফলে এই ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির স্থায়িত্ব এখন বড় ধরনের সংশয়ের মুখে পড়েছে। এমন জটিল পরিস্থিতিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি প্রধান কাজা কালাস অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি দীর্ঘায়িত করার তাগিদ দিয়ে বলেছেন, যেকোনো স্থায়ী সমঝোতার জন্য ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আরও গভীর ও বহুপাক্ষিক আন্তর্জাতিক আলোচনার প্রয়োজন হবে।


এ জাতীয় আরো খবর...