তিন দফা জানাজা শেষে নিজের শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী ভোলার পারিবারিক কবরস্থানে বাবা-মায়ের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়েছে মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদকে. আজ মঙ্গলবার (২ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে তাঁর স্মৃতিবিজড়িত বাড়ির সামনে তৃতীয় ও শেষ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়. এরপর তাঁকে বাবা আজাহার আলী, মা ফাতেমা খানম এবং স্ত্রী আনোয়ারা বেগমের কবরের পাশে দাফন করা হয়.
এর আগে, তোফায়েল আহমেদের মরদেহ ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে করে ভোলায় আনা হয়. ভোলা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তাঁর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার আগে এই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রীয় সম্মান ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করা হয়. জানাজায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ অংশ নেন.
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগে গত সোমবার (১ জুন) রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮২ বছর বয়সে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন এই বর্ষীয়ান নেতা. ১৯৪৩ সালে জন্মগ্রহণ করা তোফায়েল আহমেদ ছাত্রজীবনে ডাকসুর ভিপি ছিলেন এবং ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে ঐতিহাসিক নেতৃত্ব দেন. দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এই সহচর ভোলা থেকে ৯ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন. তাঁর এই প্রয়াণে ভোলা তথা দেশীয় রাজনীতিতে এক অপূরণীয় ক্ষতি হলো.