শিরোনামঃ
অ্যাঞ্জেল মেরি কামস টু মি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভুবন ভোলানো হাসিতে মন জয় করা তাহসিনের সাক্ষাৎ শিল্পখাতে গ্যাস সংকট সমাধানের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর সার্ক কার্যকর করতে বাংলাদেশ-নেপাল একমত ‘চোখ-কান খুলে স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করতে বলেছি’— ইসিকে জামায়াত বৈদেশিক লেনদেনে ডিজিটাল পেমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক চালু করল বাংলাদেশ ব্যাংক শাপলা চত্বর মামলায় গ্রেপ্তার না হলে আত্মসমর্পণ করবো: লতিফ সিদ্দিকী ‘নির্দিষ্ট মামলা না থাকলে শ্যোন অ্যারেস্ট নয়’ হাইকোর্টের এ আদেশ স্থগিত জিয়াউর রহমান হত্যা তদন্ত কমিশনের অপ্রকাশিত প্রতিবেদনে কী আছে তুর্কি ড্রোনে শক্তিশালী হচ্ছে বাংলাদেশ, নতুন মোড়ে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০২:১২ পূর্বাহ্ন

সার্ক কার্যকর করতে বাংলাদেশ-নেপাল একমত

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৬ বার
প্রকাশ: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬

দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থাকে (সার্ক) পুনরায় কার্যকর করার বিষয়ে একমত পোষণ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ও ঢাকায় নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি।

বুধবার (২৯ জুলাই) স্পিকারের কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে বিভিন্ন বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।

ভারপ্রাপ্ত স্পিকার বলেন, পারস্পরিক সহযোগিতা প্রসারের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনের জন্য সার্কের স্বপ্নদ্রষ্টা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এ সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সার্ককে পুনরায় কার্যকর করে সেই লক্ষ্য অর্জনের সুযোগ এখনো রয়েছে। এ ক্ষেত্রে তিনি নেপালকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানালে নেপালের রাষ্ট্রদূত এতে একমত পোষণ করেন।

নেপালের ফেডারেল পার্লামেন্টে বাংলাদেশ-নেপাল পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ গঠিত হয়েছে জেনে ভারপ্রাপ্ত স্পিকার নেপাল সংসদের স্পিকার দোল প্রসাদ আরিয়ালকে ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদেও শিগগির বাংলাদেশ-নেপাল পার্লামেন্টারি মৈত্রী গ্রুপ গঠন করে দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে মতবিনিময়ের আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

উভয় দেশের সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ কার্যকর হলে জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক উন্নয়নের মাধ্যমে সংসদীয় কূটনীতি জোরদার, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন, পারস্পরিক সংসদীয় সফর আয়োজন, আইন প্রণয়ন ও সুশাসনের অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং আন্তর্জাতিক ফোরামে দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সহযোগিতার সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার। পাশাপাশি দুই দেশের সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে একসঙ্গে কাজ করার সুযোগও তৈরি হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

নেপাল থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ আমদানির প্রসঙ্গ উল্লেখ করে ভারপ্রাপ্ত স্পিকার বলেন, শিক্ষা, সংস্কৃতি, যুব ও জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি, পানি, জ্বালানি, আঞ্চলিক যোগাযোগ, বাণিজ্য ও জলবায়ু পরিবর্তনের মতো পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনার ক্ষেত্র আরও বিস্তৃত করার সুযোগ রয়েছে। উভয় দেশকে এ সুযোগ কাজে লাগাতে হবে।

নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের নতুন অভিযাত্রার প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের সঙ্গে আরও নিবিড়ভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বের হয়ে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা অর্জনে বিভিন্ন সূচকে যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, তারও প্রশংসা করেন নেপালের রাষ্ট্রদূত। নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই বাংলাদেশ জাতিসংঘের এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন অর্জনে সক্ষম হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

এ সময় নেপাল দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব দ্য মিশন প্রতিক কার্কি এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন।


এ জাতীয় আরো খবর...