রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৪০ পূর্বাহ্ন

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: অতীতের ভুল শুধরে ভিন্ন পথে বিএনপি

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৬ বার
প্রকাশ: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬

বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থা ও রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনালগ্নে দাঁড়িয়ে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে চরম সতর্ক ও কৌশলী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে ক্ষমতাসীন দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। অতীতে বিভিন্ন মেয়াদে রাষ্ট্রপ্রধান মনোনয়নের ক্ষেত্রে অন্ধ দলীয় আনুগত্য, প্রশাসনিক অদক্ষতা এবং রাজনৈতিক প্রজ্ঞার অভাবজনিত কারণে একাধিকবার বড় ধরনের রাজনৈতিক মাশুল গুনতে হয়েছিল দলটিকে। সেই অতীতের তিতা ও বিতর্কিত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার বিএনপি আর কোনো ভুল পদে পা বাড়াতে রাজি নয়। দলটির শীর্ষ কাঠামোর নীতিনির্ধারকদের সুস্পষ্ট বার্তা—কেবল অন্ধ দলীয় আনুগত্য দিয়ে রাষ্ট্রপতি পদের মতো একটি সাংবিধানিক অভিভাবকত্ব পরিচালনা সম্ভব নয়। তাই ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে এমন একজনকে বেছে নেওয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে, যিনি হবেন অত্যন্ত দক্ষ, প্রজ্ঞাবান, সাহসী, আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে শ্রদ্ধেয় এবং একই সাথে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থের প্রতি শতভাগ অনুগত।

এই ঐতিহাসিক ও নীতিগত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করার লক্ষ্যেই গুলশানে বিএনপির চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে শুরু হয়েছে দলটির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম ‘জাতীয় স্থায়ী কমিটি’র বিশেষ ও গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারম্যান এবং আধুনিক সংসদীয় প্রক্রিয়ায় দেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই সভার মূল এজেন্ডাই হলো দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপ্রধানের প্রার্থীর রূপরেখা তৈরি ও প্রাথমিক তালিকা পর্যালোচনা করা। বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও প্রবীণ স্থায়ী কমিটির সদস্যরা সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘ ১৮ বছরের রাজনৈতিক সংগ্রাম ও প্রজ্ঞার ওপর আস্থা রেখে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ভার তাঁর ওপরই ন্যস্ত করেছেন। প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর রাজনৈতিক উপদেষ্টাদের পক্ষ থেকেও এ কথা নিশ্চিত করা হয়েছে যে, পুরো জাতির কাছে গ্রহণযোগ্য এবং দেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রাকে এগিয়ে নিতে সক্ষম একজন সৎ ও ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষকেই রাষ্ট্রপতি হিসেবে সংসদে প্রস্তাব করা হবে।

অতীতের অভিজ্ঞতা ও ইতিহাসের শিক্ষা

রাষ্ট্রপতি মনোনয়ন সামনে রেখে জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সাথে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বৈঠক এবং সেপ্টেম্বর মাসের সম্ভাব্য সংসদীয় অধিবেশনে ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু হতেই জাতীয় রাজনীতিতে এ নিয়ে তুমুল গুঞ্জন শুরু হয়েছে। কেন বিএনপি এবার রাষ্ট্রপ্রধান নির্বাচনে এত বেশি চিন্তাভাবনা ও সতর্কতা অবলম্বন করছে, তার জবাব লুকিয়ে রয়েছে দলটির নিজস্ব ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতায়। রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও জাতীয় রাজনীতির পর্যবেক্ষকরা মনে করান যে, অতীতে রাষ্ট্রপ্রধান পদের ক্ষেত্রে বিএনপি যেমন সাহসী নেতৃত্বের সুফল পেয়েছে, তেমনি কিছু অদূরদর্শী মনোনয়নের কারণে চরম রাজনৈতিক সংকটেও পতিত হয়েছে।

উদাহরণস্বরূপ, ১৯৯৬ সালের মে মাসে তৎকালীন বিএনপি সরকারের আমলে দেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন আবদুর রহমান বিশ্বাস। ক্ষমতার হস্তান্তরের সেই চরম সংকটময় ও সংবেদনশীল মুহূর্তে লে. জেনারেল আবু সালেহ মোহাম্মদ নাসিমের নেতৃত্বাধীন একটি সামরিক অভ্যুত্থানচেষ্টা অঙ্কুরেই নস্যাৎ করে দিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি আবদুর রহমান বিশ্বাস। তাঁর সেই রাজনৈতিক সাহসিকতা ও দৃঢ় সিদ্ধান্তের কারণেই সেদিন সংবিধানে সেনাতন্ত্রের অনাকাঙ্খিত হস্তক্ষেপ থেকে রক্ষা পেয়েছিল বাংলাদেশ। বিএনপির ইতিহাস সেই ঘটনাকে রাষ্ট্রপতির সাহসিকতা ও প্রজ্ঞার এক উজ্জ্বল এবং ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে স্মরণ করে।

তবে এর উল্টো পিঠেই রয়েছে তিক্ততার দীর্ঘ ইতিহাস। ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে ক্ষমতায় আসার পর বিএনপি সরকারের উদ্যোগে দেশের প্রখ্যাত চিকিৎসক ও প্রবীণ রাজনীতিক অধ্যাপক ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীকে (বি. চৌধুরী) পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি করা হয়। কিন্তু রাষ্ট্রপতি পদে আরোহণের মাত্র কয়েক মাসের মাথায় দলীয় আদর্শের সাথে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গির গভীর দূরত্ব তৈরি হতে থাকে। রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত না করা, স্বাধীনতা দিবসের বাণীতে প্রতিষ্ঠাতার নাম উল্লেখ না করা এবং রাজনৈতিক শিষ্টাচারের নামে প্রধান বিরোধীদলীয় প্রধানকে স্বাগত জানিয়ে তোরণ নির্মাণের মতো ঘটনাগুলোতে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ তৈরি হয়। শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছে যে, ২০০২ সালের জুন মাসে বিএনপির সংসদীয় দলের সভায় তাকে ইমপিচ বা অভিশংসন করার মতো চরম সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, যার মুখে বি. চৌধুরী পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। এই ঘটনা থেকে বিএনপি বুঝতে পারে যে, উচ্চ শিক্ষা বা সামাজিক প্রতিপত্তি থাকা সত্ত্বেও রাজনৈতিক সমন্বয় ও দলের মূল দর্শনের সাথে সংগতি না থাকলে রাষ্ট্রপ্রধান পদটি দলের জন্য মারাত্মক বিভ্রান্তি ও বিব্রতকর পরিস্থিতি ডেকে আনতে পারে।

ইয়াজউদ্দিন পর্ব এবং এক-এগারোর বিপর্যয়

বি. চৌধুরী পর্বের চেয়েও বড় ধাক্কা বিএনপি খেয়েছিল ২০০৬ সালে দেশের চরম রাজনৈতিক সংকটের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ ছিলেন বিএনপির প্রতি সম্পূর্ণ বিশ্বস্ত ও অনুগত এক ব্যক্তিত্ব। তবে আনুগত্য থাকলেও সংকটকালীন সময়ে রাজনৈতিক সংকট নিরসন এবং নিরপেক্ষ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর প্রশাসনিক অদক্ষতা ও দুর্বলতা প্রকাশ পায়। একই সাথে রাষ্ট্রপতি ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দ্বৈত দায়িত্ব নিতে গিয়ে তিনি দেশের অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতি সামাল দিতে চরমভাবে ব্যর্থ হন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিমত, ড. ইয়াজউদ্দিনের সেই অদক্ষতা এবং সাহসী কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হওয়ার খেসারত দিতে হয়েছিল পুরো দেশকে। তাঁর এই ব্যর্থতার সুযোগেই ২০০৭ সালে দেশে ‘এক-এগারো’র জরুরি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ও সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আগমন ঘটে। ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ প্রধান উপদেষ্টার পদ ছাড়তে বাধ্য হন এবং বিএনপির রাজনীতি ও অগণিত নেতাকর্মী বছরের পর বছর ধরে এক দীর্ঘ রাজনৈতিক নিপীড়ন ও বিপর্যয়ের মুখে পড়েন। বিএনপির প্রবীণ শীর্ষ নেতাদের ভাষায়—ইয়াজউদ্দিনের সেই ঘটনাটি চিরকালের জন্য প্রমাণ করে দিয়েছে যে, নিছক ‘রাজনৈতিক আনুগত্য’ রাষ্ট্র পরিচালনার কঠিন সমীকরণে কোনো কাজে আসে না; অদক্ষতা রাষ্ট্র ও দলকে চরম বিপদের মুখে ঠেলে দিতে পারে।

নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতা ও সুশীল সমাজের অভিমত

২০২৪ সালের অভূতপূর্ব রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের রাজনৈতিক চালচিত্র ব্যাপকভাবে বদলে গেছে। শেখ হাসিনার পতন এবং তৎকালীন বিতর্কিত রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিদায় পরবর্তী সময়ে ২০২৬ সালে এসে বাংলাদেশের রাষ্ট্র কাঠামো ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নতুন করে পুনর্গঠন করার দাবি তীব্র হয়েছে। এই রাজনৈতিক বাস্তবতায় রাষ্ট্রপ্রধান নির্বাচন কেবল ক্ষমতার হাতবদল নয়, বরং এটি ক্ষমতাসীন দল হিসেবে বিএনপির রাজনৈতিক পরিপক্বতার এক বিশাল পরীক্ষা।

বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের মতে, বাংলাদেশের সংবিধানে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতির প্রত্যক্ষ কার্যনির্বাহী ক্ষমতা সীমিত হলেও, জাতীয় সংকট, সংবিধান রক্ষা ও রাজনৈতিক জটিলতার মুহূর্তে রাষ্ট্রপ্রধানের পদটি হয়ে ওঠে সর্বোচ্চ শক্তির কেন্দ্রবিন্দু। বিশিষ্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাষ্ট্রপতি হলেন দেশের এক নম্বর নাগরিক ও পুরো রাষ্ট্রের অভিভাবক। তাই সেখানে নিছক দলীয় সংকীর্ণ বিচারে কিংবা অন্ধ দলীয় ক্যাডার বা তোষামোদকারীদের বসানো অনুচিত। রাষ্ট্রপতি পদে এমন ব্যক্তিত্ব আনা প্রয়োজন, যিনি কোনো নির্দিষ্ট দলীয় রাজনৈতিক সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে পুরো দেশের মানুষের আস্থা অর্জন করতে পারবেন।

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক অভ্যুত্থান-উত্তর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নাগরিক সমাজ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকেও রাষ্ট্রপতি পদটি নিয়ে খোলামেলা আলোচনা শুরু হয়েছে। জুলাই সনদের চেতনা অনুযায়ী একটি সর্বজনগ্রাহ্য এবং যোগ্য ব্যক্তিত্বকে রাষ্ট্রপ্রধান করার তাগিদ দিচ্ছেন অনেক নীতিনির্ধারক। যদিও সংবিধানে উচ্চকক্ষ না থাকায় প্রথাগত নিয়মে সংসদ সদস্যদের মাধ্যমেই ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন, তবুও সবার নজর থাকবে বিএনপির পছন্দের প্রার্থীর দিকে।

বিএনপির সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি ও মূল মানদণ্ড

সব বিতর্ক ও অতীত ব্যর্থতা এড়াতে বিএনপি এবারের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ক্ষেত্রে মূলত তিনটি প্রধান মানদণ্ডকে সামনে রেখে এগোচ্ছে:

১. দেশ ও সংবিধানের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস ও অকৃত্রিম আনুগত্য: রাষ্ট্রপতি হবেন এমন একজন ব্যক্তি যিনি রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব এবং দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি কোনো আপস করবেন না।

২. উচ্চ রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও প্রশাসনিক দক্ষতা: জটিল আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক উত্তেজনা সামলানোর মতো তীক্ষ্ণ বুদ্ধি ও আইনি ধারণার অধিকারী হতে হবে।

৩. চরম মুহূর্তে সাহস প্রদর্শনের সক্ষমতা: দেশের বিরুদ্ধে কোনো ষড়যন্ত্র বা সংকট দেখা দিলে সাংবিধানিক সীমার মধ্যে থেকে আবদুর রহমান বিশ্বাসের মতো সাহসিকতার সাথে শক্ত হাতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার মানসিক শক্তি থাকতে হবে।

স্বাধীনতার পর থেকে বিগত সাড়ে পাঁচ দশকে বাংলাদেশে ২২ জন ব্যক্তিত্ব রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁদের মধ্যে এরশাদের মতো সামরিক শাসকের পতন যেমন হয়েছে, তেমনি বি. চৌধুরীর মতো ব্যক্তিত্বকে পদত্যাগ করতে হয়েছে। আবার বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের মতো অত্যন্ত মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের নিয়ে পরবর্তীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে মিশ্র ও বৈরী প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। মো. সাহাবুদ্দিনের সময়কালও দেশের মানুষ ভালো চোখে দেখেনি, যা রাষ্ট্রপতি পদের সর্বোচ্চ গাম্ভীর্যকে আঘাত করেছে।

এই সমস্ত দিক বিবেচনা করে বিএনপি তাদের নীতিনির্ধারণী সভার মাধ্যমে রাষ্ট্র প্রধান নির্বাচন প্রক্রিয়াকে একটি নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির উদাহরণ বানাতে চায়। দলটি বুঝতে পারছে যে, বাংলাদেশে রাষ্ট্র সংস্কারের যে আলোচনা চলছে, তা শুরু হওয়া উচিত সাংবিধানিক পদের সঠিক মূল্যায়ন দিয়ে। দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে যদি একটি যোগ্য, অভিজ্ঞ ও নির্ভীক ব্যক্তিত্বকে মনোনয়ন দেওয়া সম্ভব হয়, তবে তা দেশের ভবিষ্যৎ গণতন্ত্রকে যেমন সুসংহত করবে, তেমনি বৈশ্বিক মঞ্চেও বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও নৈতিক ভাবমূর্তিকে বহুলাংশে উজ্জ্বল করবে।

তথ্যসূত্র: যুগান্তর


এ জাতীয় আরো খবর...