ইসরাইলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় সব ধরনের উপায় ব্যবহারের আইনি ও বৈধ অধিকার লেবাননের রয়েছে বলে মনে করে ইরান। দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিয়েহ অঞ্চলে ইসরাইলি হামলায় একই পরিবারের সদস্যসহ অন্তত ১১ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে ইরান।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, একই পরিবারের সদস্যদের লক্ষ্য করে চালানো এ হামলা অত্যন্ত নিন্দনীয়।
বাঘাই বলেন, লেবাননের জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা লঙ্ঘন করে ইসরাইল যে ধারাবাহিক আগ্রাসন চালিয়ে যাচ্ছে, তারই অংশ হিসেবে এসব হামলা সংঘটিত হয়েছে।
লেবাননের দখল করা ভূখণ্ড থেকে ইসরাইলি বাহিনীকে অবিলম্বে প্রত্যাহারের আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে ইসরাইলি আগ্রাসনের মুখে লেবাননের জনগণের ‘সম্মানজনক প্রতিরোধের’ প্রশংসা করেন ইরানের এই কর্মকর্তা।
আন্তর্জাতিক আইন ও আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অব্যাহত নীরবতা ও নিষ্ক্রিয়তারও সমালোচনা করেন বাঘাই।
বক্তব্যের শেষে তিনি লেবাননের জাতীয় সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা ও মর্যাদা রক্ষার ক্ষেত্রে দেশটির প্রতি ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সংহতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
এর আগে লেবাননের প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহও এ ঘটনাকে ‘বর্বর গণহত্যা’ হিসেবে অভিহিত করে নিন্দা জানিয়েছিল।
এদিকে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ওয়াশিংটন ও তেল আবিব লেবাননে হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করার জন্য চাপ দিয়ে আসছে। এর অংশ হিসেবে গত ২৬ জুন বৈরুত ও তেল আবিবের মধ্যে একটি কাঠামোগত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
তবে হিজবুল্লাহ বারবার নিরস্ত্র হওয়ার আহ্বান প্রত্যাখ্যান করে আসছে। সংগঠনটির দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া ওই কাঠামোগত চুক্তি লেবাননের সংবিধান লঙ্ঘন করে।