শিরোনামঃ
ইমোশনাল উন্ড: বুকের মধ্যে ঘাতক কাঁটা বিমান টিকেট সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: বিমানমন্ত্রী মানবাধিকার বিলের সিদ্ধান্ত ‘একতরফা’: বিরোধীদল বাংলাদেশ-চীনের কূটনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সংলাপ শুরুর প্রস্তুতি জিম্মি থাকা কার্গো মুক্ত করলো তুরস্ক ও সোমালি বাহিনী, ১৪ জলদস্যু নিহত হাম উপসর্গে চারজনের মৃত্যু, নতুন রোগী দেড় হাজারের বেশি ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী গুমের আগে কোথায় কীভাবে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন, রোমহর্ষক বর্ণনা সাগর-রুনি হত্যায় এক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের প্রাথমিক সম্পৃক্ততা মিলেছে: চিফ প্রসিকিউটর জাতীয় ফুটবল দলের নতুন ম্যানেজার বাবু, কো-অর্ডিনেটর আমের
রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ন

বাংলাদেশ-চীনের কূটনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সংলাপ শুরুর প্রস্তুতি

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৪ বার
প্রকাশ: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে কূটনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সংলাপ শুরুর বিষয়ে প্রস্তুতি চলছে। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত সম্পর্ক আরও জোরদারের লক্ষ্যে উচ্চপর্যায়ের সংলাপ চালুর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

রোববার (৩০ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে হুমায়ুন কবির চীনকে বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু ও গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বাংলাদেশের ‘এক চীন নীতি’র প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক সফল চীন সফরের পর বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক ‘চীন-বাংলাদেশ অভিন্ন ভবিষ্যতের সম্প্রদায়’ পর্যায়ে উন্নীত হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।
চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরকে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানান এবং বাংলাদেশ-চীনের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে তার সহযোগিতা কামনা করেন।

তিনি চীনের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পক্ষ থেকেও শুভেচ্ছা জানান।
বৈঠকে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরের ফলাফল সম্পর্কে অবহিত করেন। এর মধ্যে রয়েছে চীন অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চল (সিইআইজেড)-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, মোংলা বন্দরের আধুনিকায়নে বাণিজ্যিক চুক্তি এবং মোংলায় একটি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল প্রতিষ্ঠায় সম্ভাব্য সহযোগিতা।

তিনি জানান, সিইআইজেডে প্রায় ৩০টি চীনা প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগ করতে পারে। এতে প্রায় ৫০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ এবং স্থানীয় বাংলাদেশিদের জন্য আনুমানিক এক লাখ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।

বৈঠকে দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে ছিল তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে সহযোগিতা, পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের কৌশলগত সংলাপ দ্রুত চালু করা এবং মন্ত্রী পর্যায়ের কূটনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সংলাপ শুরু করা।

এ ছাড়া বাংলাদেশ থেকে চীনে কাঁঠাল ও পেয়ারা রপ্তানি প্রক্রিয়া শুরু, বাংলাদেশ-চীন-মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডোর এবং রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হয়।

চীনা রাষ্ট্রদূত আসন্ন উচ্চপর্যায়ের সফর সম্পর্কেও অবহিত করেন। এর মধ্যে রয়েছে চায়না ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন এজেন্সির ভাইস প্রেসিডেন্ট, চীনা কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী এবং ইউনান প্রদেশের নির্বাহী ভাইস গভর্নরের বাংলাদেশ সফর।

বৈঠক শেষে চীনা রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবিরকে চলতি বছরের অক্টোবর মাসে চীন সফরের আমন্ত্রণ জানান।


এ জাতীয় আরো খবর...