শিরোনামঃ
বাণিজ্যিক সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের বিদ্যুতের দাম নির্ধারণ করলো সরকার মরক্কোর প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ফাতিমা জাহরা এল নিনোর ঝুঁকিতে লাতিন আমেরিকার লাখ লাখ শিশু : ইউনিসেফ জ্বালানি খাতে আমদানিনির্ভরতা: এক বিপজ্জনক খাদের কিনারে অর্থনীতি ও জনজীবন দাদা-দাদি, নানা-নানিদের প্রতি গর্ভবতী অবস্থায় মায়েদের কোমর ব্যথায় করণীয় অক্টোবর-নভেম্বরে এলএনজির ঘাটতি নেই, আসছে ১৯ কার্গো: পেট্রোবাংলা প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফরে বাংলাদেশের স্বার্থ ও বৈশ্বিক সম্ভাবনার বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে: মাহদী আমিন উন্নয়ন প্রকল্পে পরামর্শক ব্যয় কমানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন

গর্ভবতী অবস্থায় মায়েদের কোমর ব্যথায় করণীয়

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৮ বার
প্রকাশ: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

দেশে ৫০-৭০% ভাগ নারী গর্ভবতী হন এবং কোমর ব্যথায় ভোগেন। যারা
মা হতে চলেছেন, তাদের জন্য এ দু’টিই অনেক কঠিন চ্যালেঞ্জ। খুশির খবর
এই যে, আপনার বেবি বেড়ে উঠেছে যেভাবে ঠিক সেভাবে তার বেড়ে ওঠা
দরকার। কিন্তু সঙ্গে আপনার কোমর ব্যথার ঝুঁকিও বেড়ে যাচ্ছে। বেশিরভাগ
গর্ভবতী মায়েরা কোমর ব্যথায় ভুগে থাকেন। সাধারণত গর্ভাবস্থা শুরু হওয়ার
১৩-২৮ সপ্তাহের মধ্যে এ সমস্যাটা দেখা দেয়। গর্ভবতী মায়েদের কোমর
ব্যথার কারণ: প্রেগনেন্সি, স্যাকরো-ইলিয়াক জয়েন্ট ডিসফাংশন।
এছাড়াও আরও অনেক কারণ রয়েছে, যেসব কারণে কোমর ব্যথা হয়ে
থাকে। যেমন:
ওজন বৃদ্ধি: প্রেগনেন্সির সময় মায়েদের সাধারণত ২৫-৩৫ কেজি
ওজন বেড়ে যায়। যার ফলে স্পাইনের উপর বাড়তি চাপ পড়ে। এ
কারণে কোমর ব্যথা হয়ে থাকে। এছাড়াও বাড়তে থাকা বেবির
ওজন এবং জরায়ু, ব্লাড ভ্যাসেল, মাসল, নার্ভ ইত্যাদি কোমরের
উপর চাপ সৃষ্টি করে।
হরমোনের পরিবর্তন: গর্ভবস্থায় মায়ের শরীর রিলাক্সিন নামে একটি
হরমোন তৈরি করে। এ হরমোন পেলভিক এরিয়ার লিগামেন্ট
রিলাক্স করে, জয়েন্টগুলো শিথিল করে বার্থ প্রসেস তৈরি করে।
কিন্তু এ হরমোন মেরুদণ্ডের লিগামেন্টগুলো শিথিল করে থাকে।
এসকল কারণগুলো কোমর ব্যথা সৃষ্টি করে।
ভুল ভঙ্গি: প্রেগনেন্সি মায়েদের সেন্টার অব গ্র্যাভিটির পরিবর্তন
করে। এর ফলে মায়েদের পোশ্চার বা ভঙ্গি পরিবর্তন হয়।
লোডোর্টিক কার্ড বেড়ে যায়। মাসল স্ট্রেস হয়। এর ফলে
ব্যাকপেইন হয়ে থাকে।

চিকিৎসা:
শোয়ার সময় কাত হয়ে সাইড
লাইনে শুয়ে দু’হাঁটুর নিচে বালিশ
দিয়ে শুতে হবে। কোথাও বসলে
তোয়ালে ভাঁজ করে কোমরে সাপোর্ট
দিতে হবে। কোমরের যেসব জায়গায়
ব্যথা সেখানে নারকেল তেল লাগিয়ে
ঠাণ্ডা বা গরম সেঁক দিতে হবে দিনে
২-৩বার ১৫-২০ মিনিট করে। মনে রাখতে হবে যে, ঠাণ্ডা বা গরম সেঁক
পেটের উপরে দেয়া যাবে না। মানসিক অস্বস্তির জন্য কোনো ভালো বন্ধুর সঙ্গে
কথা বলতে হবে অথবা মানসিক কাউন্সিলরের সাহায্য নিতে হবে।


এ জাতীয় আরো খবর...