কোমর ব্যথা বিশ্বের বৃহত্তম স্বাস্থ্য সমস্যাগুলোর মধ্যে একটি। দুর্ভাগ্যবশত এটি ক্রমশ বেড়ে চলেছে। কোমর ব্যথার জন্য সমাজ এবং ব্যক্তিজীবনে ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলছে এবং এর জন্য আমাদের সময়ের পাশাপাশি অর্থনৈতিক ক্ষতি হচ্ছে। বিশ্বব্যাপী ৫৪০ মিলিয়ন মানুষ জীবনের যে কোনো সময়ে পিঠ এবং কোমর ব্যথায় ভোগেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ১০ জনের মধ্যে ৮ জন অন্তত এক বা তার বেশিবার পিঠের এবং কোমরের সমস্যা অনুভব করে। গবেষকগণ বলেছেন, অতিরিক্ত ওজনের মানুষ এবং ৩০ বছরের বেশি বয়সী মহিলাদের পিঠ এবং কোমরের দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।
যারা দীর্ঘসময় অফিসে বসে কাজ করেন তাদের দশজনের মধ্যে চারজন কোমর ব্যথায় ভোগেন।
চলুন জেনে নেই কোমর ব্যথার কিছু কারণ:
ঘাড়ে-কোমরে আর পিঠে ব্যথা দিনকে দিন বেড়ে চলেছে। ছোটদেরও রেহাই নেই ব্যথার কবল থেকে। দিন-রাত অনলাইনে পড়াশোনা করে, ভিডিও গেম খেলে আর টিভিতে কার্টুন দেখে ওজন বাড়াচ্ছে। আর ঘাড়, পিঠ, মাথার ব্যথা শরীরে বাসা বাঁধছে। ছোট থেকে বয়স্ক সকলের মধ্যেই এধরনের সমস্যা দেখে দিচ্ছে। অন্যদিকে যারা নিয়মিত ব্যায়াম করেন তারা আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন। গবেষকরা বলছেন, ব্যথা-বেদনার ভয়ে জড়সড় হয়ে বসে থাকলে ব্যথা বাড়ে বৈ কমে না।
কোমর ব্যথা কমাতে টিপ্স:
আদা: আদায় প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম থাকে। এ পটাশিয়ামের অভাবের কারণে নার্ভের সমস্যা দেখা দেয়। প্রতিদিন নিয়ম মেনে আদা খেলে কোমরের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। হলুদ: দুধের সঙ্গে নিয়ম করে হলুদ খেলে কোমরের ব্যথা অনেকটাই কমতে পারে।
মেথি বীজ: গুঁড়া দুধের সঙ্গে মেথি বীজের মিশ্রণ তৈরি করে ব্যথার জায়গায় ম্যাসেজ করলে উপকার পাবেন।
লেবুর শরবত: লেবুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। ভিটামিন সি যন্ত্রণা উপশমে খুবই কার্যকর একটি উপাদান।
অ্যালোভেরা: প্রতিদিন নিয়ম করে অ্যালোভেরা শরবত খেলে কোমরের ব্যথা থেকে মুক্তি মিলতে পারে।
ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম জাতীয় খাদ্য: প্রতিদিন নিয়ম করে দুধ, ঘি, পনির, ফল, শাক-সবজি, বাদাম ইত্যাদি খেলে কোমরের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। আর নিয়মিত ব্যায়াম করতে ভুলবেন না।