শিরোনামঃ
বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিশ্বে আর কোথাও নেই: রাষ্ট্রপতি সওজের ৪০০ স্থাপনায় বসছে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল রুফটপ সোলারে অর্থায়নে ইডকল ও সরকারের মধ্যে ৫০০ কোটি টাকার ঋণচুক্তি জাল সনদ চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা চায় এপিইউবি ৩২৯ কোটি টাকা বরাদ্দ পেল ২৫৩ ইউনিয়ন পরিষদ বিএনপির মুখে হচ্ছে জুলাই সনদ আর অন্তরে আ. লীগ: হাসনাত ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলো গ্রামীণ কল্যাণ সেনাসদস্যদের ‘ওয়ান র‍্যাংক ওয়ান পেনশন’ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াধীন: সাভারে প্রধানমন্ত্রী অস্ত্র উঁচিয়ে ধরার ব্যাখ্যা দিলেন ইশরাক হোসেন পিস্তল হাতে অভিযানে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক, আইনের ব্যত্যয় হলে ব্যবস্থা: ডিবিপ্রধান
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৪ অপরাহ্ন

আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ের ভূমি অধিগ্রহণ: ২৩২ কোটি টাকা কার পকেটে?

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১২ বার
প্রকাশ: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বড় বড় মেগা প্রকল্পের নির্মাণ ব্যয়ের সঙ্গে তুলনা করলেই ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের অস্বাভাবিক খরচের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। চীনের সিচুয়ান প্রদেশের অতি দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় ইবিন-পানঝিহুয়া এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণে কিলোমিটারপ্রতি খরচ হয়েছিল প্রায় ৩৬৫ কোটি টাকা। ভারতের আধুনিক আট লেনের দ্বারকা এক্সপ্রেসওয়েতে প্রতি কিলোমিটারে ব্যয় হয় ৩২০ কোটি টাকা আর ইন্দোনেশিয়ার শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ এক্সপ্রেসওয়েতে কিলোমিটারপ্রতি ব্যয় হয়েছিল ৩৯০ কোটি টাকা। অথচ সম্পূর্ণ সমতল ভূমিতে নির্মিতব্য ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের পেছনে কিলোমিটারপ্রতি ব্যয় ধরা হয়েছে আকাশচুম্বী—প্রায় ১ হাজার ১২৭ কোটি টাকা। বিগত সরকারের আমলে দফায় দফায় অযৌক্তিকভাবে ব্যয় বাড়িয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের যে বন্দোবস্ত করা হয়েছিল, তার মূল ক্ষত তৈরি হয়েছে মূলত ভূমি ও স্থাপনা অধিগ্রহণের ধাপে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ইতিমধ্যে এই প্রকল্পের আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে আনুষ্ঠানিক অনুসন্ধান শুরু করেছে এবং সরকারের পক্ষ থেকেও জাতীয় সংসদে বিষয়টি জানানো হয়েছে। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, কেবল ভূমি অধিগ্রহণ ও ভুয়া স্থাপনার ক্ষতিপূরণ দেখিয়েই একটি সংঘবদ্ধ চক্র হাতিয়ে নিয়েছে অন্তত ২৩২ কোটি টাকা। তবে দুদকের ধারণা, প্রকল্পটির সব অধিগ্রহণ নথি নিবিড়ভাবে খতিয়ে দেখলে এই হরিলুটের পরিমাণ কয়েক হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে।

এই মহাদুর্নীতির কেন্দ্রে ছিলেন গণপূর্ত অধিদপ্তর সাভার সার্কেলের তৎকালীন উপসহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এলএ (ভূমি অধিগ্রহণ) শাখার সঙ্গে যৌথভাবে আশুলিয়া, বাইপাইল ও ডিইপিজেড অংশে ক্ষতিগ্রস্ত জমি ও অবকাঠামোর আর্থিক ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের মূল দায়িত্বে ছিলেন তিনি। সরকারি সেই ক্ষমতার অপব্যবহার করে মিজানুর রহমান গড়ে তোলেন একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট, যাতে ডিসি অফিসের একশ্রেণির অসাধু কর্মকর্তা এবং সড়ক ভবনের দায়িত্বশীলরাও জড়িয়ে পড়েন। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, এক্সপ্রেসওয়ের মূল এলাইনমেন্ট বা সড়কের ধারেকাছেও নেই এমন বহু ভবনকে অধিগ্রহণভুক্ত দেখিয়ে শত কোটি টাকার বিল ছাড় করানো হয়েছে। বহু ক্ষেত্রে মূল বাজারমূল্যের চেয়ে ৫ থেকে ১০ গুণ পর্যন্ত বাড়িয়ে কৃত্রিম ক্ষতিপূরণ অ্যাওয়ার্ড প্রস্তুত করা হয়। প্রকল্প এলাকায় অন্তত অর্ধশতাধিক এমন ভুয়া অধিগ্রহণের প্রমাণ মিলেছে, যেখানে এক্সপ্রেসওয়ের উড়াল গার্ডার কিংবা পিলার থেকে ২০ থেকে ৩০ ফুট দূরের অক্ষত বহুতল ভবনকেও সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত দেখানো হয়েছে। অথচ বাস্তবে সেসব ভবনে মানুষ দিব্যি বসবাস করছে।

প্রকল্পের সবচেয়ে নজিরবিহীন ও বেপরোয়া জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছে বাইপাইল মৌজার আরএস ২১২ নম্বর দাগে। ওই দাগের ৬৭ নম্বর অ্যাওয়ার্ডে আওলাদ হোসেনসহ সাতজন মূল ভূমির মালিকের অনুকূলে ৩ কোটি ৪৪ লাখ ৩৮ হাজার ৭৫১ টাকার ক্ষতিপূরণের বিল প্রস্তুত করেছিল জেলা প্রশাসনের এলএ শাখা। কিন্তু প্রকৌশলী মিজানুর রহমান ও তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী আশরাফুল আলমের চক্র ডিসি অফিসের নথি টেম্পারিং করে মূল মালিকদের বঞ্চিত করে পুরো অর্থ নিজেদের অনুকূলে চেক আকারে তুলে নেন। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা সরকারি দপ্তরে দিনের পর দিন ধরনা দিয়েও কোনো প্রতিকার পাননি। একই কায়দায় ওই দাগের ৬৪ নম্বর অ্যাওয়ার্ডে শামসুন্নাহার রেখাসহ তার সাত ভাইবোনের অনুকূলে বরাদ্দ হওয়া ২২ কোটি ৩২ লাখ ৯৮ হাজার ২৬৭ টাকার সরকারি বিলটিও জালিয়াতির মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে এই ক্ষতিপূরণের পরিমাণ দশগুণ বাড়িয়ে সাড়ে ৩৪ কোটি টাকা করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল, যা পরবর্তীতে আপত্তির মুখে ২২ কোটি টাকায় সংশোধন হয়। শেষ পর্যন্ত একটি ভুয়া আপত্তি সাজিয়ে মূল মালিকদের নাম কেটে দিয়ে মিজানুর রহমান, তার বন্ধু আশরাফুল আলম ও ব্যবসায়িক সহযোগী মোসলেহ উদ্দিন মৃধার নামে চেক ছাড় করিয়ে ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নেওয়া হয়।

একই দাগের আরেকটি ঘটনায় দেখা যায়, ৪৬ নম্বর অ্যাওয়ার্ডে আমিনুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তির দোতলা ভবন সম্পূর্ণ অধিগ্রহণ দেখিয়ে সরকারের রাজকোষ থেকে ২ কোটি ১১ লাখ টাকা তুলে নেয় এই চক্র। কিন্তু বাস্তবে সরেজমিনে দেখা গেছে, আমিনুলের ভবনটি এক্সপ্রেসওয়ের মূল কাঠামো থেকে অন্তত ৫০ ফুট দূরে বহাল তবিয়তে দাঁড়িয়ে রয়েছে এবং সেখানে তিনি পরিবার নিয়ে নিয়মিত বসবাস করছেন। ভবনের গায়ে এক্সপ্রেসওয়ের কোনো ছোঁয়া না লাগলেও সরকারি নথিতে তা বিলীন হয়ে গেছে দেখিয়ে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। এর চেয়েও বড় জালিয়াতি মঞ্চস্থ হয় আরএস ২১২ নম্বর দাগের ৬৫ নম্বর অ্যাওয়ার্ডে। সেখানে নাজমুল হোসেন ভূঁইয়াসহ ১২ জন ক্ষুদ্র দোকান মালিকের অনুকূলে ১৯ কোটি ৩৯ লাখ ৩৫ হাজার ৬৯ টাকার বিল পাস হয়েছিল। কিন্তু সেই অর্থ ছাড়ের কয়েক মাস আগে মিজানুর রহমান ওই দাগের মূল মালিক নন এমন এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৩৬ শতাংশ জমির মধ্যে মাত্র ২ শতাংশের একটি ভুয়া দলিল তৈরি করেন। এরপর সেই বিতর্কিত দলিল দাখিল করে পুরো বিল আটকে দেওয়া হয়। নিরুপায় দোকান মালিকরা প্রতিকার পেতে উচ্চ আদালতে রিট করে রুল জারি করালেও শেষ পর্যন্ত মিজান সিন্ডিকেটের সঙ্গে আর্থিক সমঝোতায় বাধ্য হন। যার ফলস্বরূপ ক্ষতিপূরণের প্রায় সাড়ে ১৯ কোটি টাকা থেকে ৭ কোটি ৫৯ লাখ ৯৯ হাজার ৯৯৯ টাকা সরাসরি মিজানের ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করতে হয়।

শুধু বাইপাইলেই নয়, আশুলিয়ার গাজীরচট ডিইপিজেড রোড বাইতুন নূর মসজিদের বিপরীত পাশে অবস্থিত আরএস ২৯৮ নম্বর দাগেও ঘটেছে অবিশ্বাস্য দুর্নীতির ঘটনা। সেখানে আব্দুর রাজ্জাক নামের এক ব্যক্তির ‘তানভির কমপ্লেক্স’ এবং তার পাশের আরেকটি ভবনকে ক্ষতিগ্রস্ত দেখিয়ে ৬৭ কোটি ২০ লাখ ৭৪ হাজার ৬৪২ টাকার বিল অনুমোদন ও ছাড় করানো হয়। অথচ সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, এক্সপ্রেসওয়ের পিলার থেকে দূরের গার্ডার থেকেও ভবন দুটি অন্তত ৩০ ফুট দূরে অবস্থিত। মূল সড়ক থেকেও সেগুলোর অবস্থান বেশ খানিকটা তফাতে। সরকারের চোখ ফাঁকি দিতে ওই ভবনের বারান্দার কিছু অংশ হাতুড়ি দিয়ে লোকদেখানো পিটিয়ে ভেঙে রাখা হয়েছিল। ভবন মালিক আব্দুর রাজ্জাকের সঙ্গে কথা বললে তিনি অকপটে স্বীকার করেন যে, গণপূর্তের প্রকৌশলী ও মধ্যস্বত্বভোগী দালাল চক্রকে প্রায় ৪০ শতাংশ কমিশন দিয়ে তবেই এই বিল পাওয়া গেছে। স্থানীয় স্বপন ভূঁইয়া ও মোস্তফা হাজীর মাধ্যমে আগাম নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে চুক্তি করে অস্বাভাবিক বাড়িয়ে বিল প্রস্তুত করা হয়েছিল এবং টাকা ছাড়ের পর মিজানের সিন্ডিকেট তাদের অংশের কমিশন লুফে নেয়।

একই এলাকার আরএস ২৯৯ নম্বর দাগেও চলেছে হরিলুটের একই মহোৎসব। সেখানে ৩০ ও ৩১ নম্বর অ্যাওয়ার্ডে শেখ মিজানুর রহমান নামের এক ব্যক্তিকে জমির ক্ষতিপূরণ বাবদ ৪৭ লাখ ৯ হাজার টাকার বেশি দেওয়ার পাশাপাশি স্থাপনার ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়া হয় ৫০ কোটি টাকারও বেশি। ভবনের ব্যালকনি মূল সড়কে সামান্য পড়েছে দাবি করে পুরো ভবনকে অধিগ্রহণভুক্ত করা হয়েছিল। এছাড়া ৮২ নম্বর অ্যাওয়ার্ডে নান্নু ভূঁইয়ার নামে ২৫ কোটি ১২ লাখ টাকা এবং চুন্নু ভূঁইয়ার নামে ২০ কোটি টাকার বিল তৈরি করা হয়, যেগুলোর স্থাপনা নকশাবহির্ভূত ছিল। এভাবে তৈয়বপুর, জিরাবো, বড় আশুলিয়া, চকবাসাইদ এবং বাইপাইল মৌজার শতাধিক দাগে হাজার হাজার কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ বিল বণ্টন করা হয়েছে। অনেক স্থানে বহুতল ভবনের মাত্র দুই-তিন ফুট গার্ডারের আওতায় পড়লেও পুরো ভবনকে অধিগ্রহণ তালিকায় ঢুকিয়ে সরকারি কোষাগার উজাড় করা হয়েছে।

প্রকল্পের দায়িত্ব পালনকালে অর্জিত এই অবৈধ অর্থ দিয়ে প্রকৌশলী মিজানুর রহমান গড়ে তুলেছেন বিপুল ধনসম্পদের সাম্রাজ্য। তিনি সরকারি চাকরির আড়ালে ‘ডালাস ডেভেলপারস লিমিটেড’ নামের আবাসন ব্যবসা পরিচালনা করে সাভার ডিওএইচএসে গড়ে তুলেছেন একাধিক বিলাসবহুল বহুতল ভবন। এর মধ্যে ৬ নম্বর রোডের ১১৮ ও ১১৯ নম্বর বাড়ি, ১২ নম্বর রোডের ২৬৯ ও ২৭১ নম্বর বাড়ি এবং ১৭ নম্বর রোডের ৪১৩ ও ৪১৪ নম্বর বাড়ি অন্যতম। একই এলাকার ১২ নম্বর রোডে তার পাঁচ কাঠার একটি প্লট রয়েছে। সাভার ডিওএইচএসের ৬ নম্বর রোডে নাজমুলস ড্রিম হ্যাভেনে রয়েছে মিজানের একটি রাজকীয় ডুপ্লেক্স ফ্ল্যাট, যার অভ্যন্তরীণ সাজসজ্জাতেই ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩ কোটি টাকা। এছাড়া ডিওএইচএসের ৪১৪ নম্বর প্লটের প্রায় সবগুলো ফ্ল্যাট তিনি নিজের সহোদর কামরুজ্জামানের নামে কিনে নিয়েছেন। একই সাথে ‘ফিউচার ড্রিম বিল্ডার্স লিমিটেড’ নামে আরেকটি আবাসন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি দিয়াবাড়ি, বসিলা, কেরানীগঞ্জ, ঘাটারচর ও ওয়াশপুর এলাকায় বিশাল আবাসন প্রকল্প গড়ে তুলেছেন।

মিজানুর রহমানের সম্পদের তালিকা এখানেই সীমাবদ্ধ নয়। গাজীপুরের শ্রীপুরে রয়েছে তার বিশাল মৎস্য খামার, যা তার ছোট ভাই পরিচালনা করেন। এছাড়া আশুলিয়ার বাইপাইল মৌজায় পৌনে চার শতাংশ জমি, ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের দক্ষিণখান মৌজায় পৌনে সাত শতাংশের ওপর দশতলা সুরম্য ভবন, সাভারের বড়ওয়ালিয়া মৌজায় টিনশেড বাড়িসহ জমি এবং রাজধানীর মিরপুরে দুটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাটের তথ্য পাওয়া গেছে। ইউসিবি ব্যাংকের পল্লী বিদ্যুৎ শাখা, ব্র্যাক ব্যাংকের উত্তরা জসিম উদ্দিন শাখা ও প্রাইম ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্যাংকে মিজান, তার বাবা মমতাজ উদ্দিন সোনার, ভাই কামরুজ্জামান ও সহযোগীদের যৌথ হিসাবে কোটি কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের দালিলিক প্রমাণ মিলেছে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর কিছু অভিযোগ সামনে এলে তাকে কৌশলগতভাবে সাভার থেকে শেরেবাংলা নগর গণপূর্ত উপ-বিভাগ-২ এবং পরবর্তীতে জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের দায়িত্বে পাঠানো হয়। সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করে এমন হরিলুটের ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত না হলে দেশের কোনো মেগা প্রকল্পই দুর্নীতির অভিশাপ থেকে রেহাই পাবে না।

তথ্যসূত্র: মানবজমিন


এ জাতীয় আরো খবর...