শিরোনামঃ
নিষিদ্ধ দলের ঝটিকা মিছিলে কঠোর অবস্থানে সরকার: রাজনৈতিক গুঞ্জনে উত্তাল ডিসেম্বর ই-রিকশা চলাচলে নতুন বিধিমালা প্রণয়ন: ১২ বছরের আয়ুষ্কাল ও ২৫ কিমি গতিসীমা নির্ধারণ রাষ্ট্রায়ত্ত রূপালী ব্যাংকের নাজুক দশা: শীর্ষ ২০ খেলাপির কাছে আটকে আছে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনা: জাপানের সব শর্ত মেনে নিল বাংলাদেশ ৯ হাজার ৫০০ টন চাল বিতরণ স্থগিত করেছে খাদ্য অধিদপ্তর: ভারত থেকে আমদানিকৃত চালে ক্যানসারের উপাদান ব্যাংক খাতে আস্থার নতুন মাপকাঠি: ৫০ হাজার কোটির বেশি আমানত নিয়ে শীর্ষ অবস্থানে আট বেসরকারি ব্যাংক বাই দ্য রিভারস অব ব্যাবিলন – ৬ ভারতে মুসলিম-দলিতদের প্রতিনিয়ত নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হচ্ছে: নেহা গঙ্গা পানি চুক্তি নবায়নের প্রাক্কালে বিহারের নতুন দাবি ভারতের সঙ্গে পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত না হলে ট্রানজিট বন্ধের হুঁশিয়ারি নাহিদ ইসলামের
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৩৫ অপরাহ্ন

চার মাসে রপ্তানি আয় ১৭.৪ বিলিয়ন ডলার, প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশ

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১১ বার
প্রকাশ: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) দেশের পণ্য রপ্তানি আয় ১৭ দশমিক ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে রপ্তানি আয় ছিল ১৬ দশমিক ০৮ বিলিয়ন ডলার। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে রপ্তানি আয় বেড়েছে প্রায় ৯৬ কোটি ডলার, যা ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি।

রপ্তানি আয়ের এই ইতিবাচক ধারায় সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে তৈরি পোশাক খাত। আলোচ্য সময়ে নিটওয়্যার পণ্য রপ্তানি থেকে আয় বেড়েছে ৭ শতাংশ। এ খাতে রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৭১ বিলিয়ন ডলারে। অন্যদিকে ওভেন পোশাক রপ্তানি থেকে আয় বেড়েছে ৪ দশমিক ৮ শতাংশ, যার পরিমাণ ৬ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত মোট পণ্য রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮০ দশমিক ৪ শতাংশ এসেছে নিটওয়্যার ও ওভেন পোশাক খাত থেকে। একই সময়ে দেশের সামগ্রিক রপ্তানি আয় বৃদ্ধিতে তৈরি পোশাক খাতের অবদান প্রায় ৮১ শতাংশ।

তবে পোশাক খাতের পাশাপাশি কয়েকটি অপ্রচলিত পণ্যেও রপ্তানি আয় বেড়েছে। এর মধ্যে পাট ও পাটজাত পণ্যে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২৩ দশমিক ৮ শতাংশ। চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যে বেড়েছে ১২ দশমিক ৭ শতাংশ এবং রাসায়নিক পণ্যে ২৭ দশমিক ৩ শতাংশ। আলোচ্য সময়ে পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৩৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার। চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যে আয় দাঁড়িয়েছে ৪৬ কোটি ৪০ লাখ ডলার এবং রাসায়নিক পণ্যে ১৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার।

এ ছাড়া হোম টেক্সটাইল রপ্তানিতে ৭ দশমিক ৪ শতাংশ এবং পাদুকা রপ্তানিতে ৯ দশমিক ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

অন্যদিকে কয়েকটি পণ্য খাতে রপ্তানি আয় কমেছে। গত চার মাসে কৃষিপণ্য রপ্তানি কমেছে ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ। হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ রপ্তানি কমেছে ১০ দশমিক ৯ শতাংশ। এ ছাড়া তুলা ও তুলাজাত পণ্যের রপ্তানি আয় কমেছে ১০ দশমিক ২ শতাংশ।

সামগ্রিকভাবে রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি অব্যাহত থাকলেও দেশের রপ্তানি খাত এখনো তৈরি পোশাকনির্ভর। তবে পাট, চামড়া ও রাসায়নিক পণ্যের মতো পোশাকবহির্ভূত খাতের আয় বাড়ায় রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

রপ্তানি প্রবৃদ্ধির এই ধারা ধরে রাখতে পণ্যের মান উন্নয়ন, নতুন আন্তর্জাতিক বাজার অনুসন্ধান এবং সম্ভাবনাময় খাতগুলোর বিদ্যমান সমস্যা সমাধানে গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।


এ জাতীয় আরো খবর...