শিরোনামঃ
নিষিদ্ধ দলের ঝটিকা মিছিলে কঠোর অবস্থানে সরকার: রাজনৈতিক গুঞ্জনে উত্তাল ডিসেম্বর ই-রিকশা চলাচলে নতুন বিধিমালা প্রণয়ন: ১২ বছরের আয়ুষ্কাল ও ২৫ কিমি গতিসীমা নির্ধারণ রাষ্ট্রায়ত্ত রূপালী ব্যাংকের নাজুক দশা: শীর্ষ ২০ খেলাপির কাছে আটকে আছে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনা: জাপানের সব শর্ত মেনে নিল বাংলাদেশ ৯ হাজার ৫০০ টন চাল বিতরণ স্থগিত করেছে খাদ্য অধিদপ্তর: ভারত থেকে আমদানিকৃত চালে ক্যানসারের উপাদান ব্যাংক খাতে আস্থার নতুন মাপকাঠি: ৫০ হাজার কোটির বেশি আমানত নিয়ে শীর্ষ অবস্থানে আট বেসরকারি ব্যাংক বাই দ্য রিভারস অব ব্যাবিলন – ৬ ভারতে মুসলিম-দলিতদের প্রতিনিয়ত নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হচ্ছে: নেহা গঙ্গা পানি চুক্তি নবায়নের প্রাক্কালে বিহারের নতুন দাবি ভারতের সঙ্গে পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত না হলে ট্রানজিট বন্ধের হুঁশিয়ারি নাহিদ ইসলামের
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৩৫ অপরাহ্ন

ভারতে মুসলিম-দলিতদের প্রতিনিয়ত নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হচ্ছে: নেহা

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১০ বার
প্রকাশ: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬

মুসলিম, দলিত ও আদিবাসীদের প্রতিনিয়ত নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে বাধ্য করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) সভাপতি নেহা বোরা। রোববার (১ নভেম্বর) দিল্লির রামলীলা ময়দানে আয়োজিত বিরোধী জোটের সমাবেশে এই কথা বলেন তিনি।

নেহা বলেন, ‘ভারতে প্রতিটি মানুষেরই সমান মর্যাদা থাকবে এবং সেই সমমর্যাদা নিশ্চিত হয় ভোটের মাধ্যমে। কিন্তু বিজেপি সরকার সেই অধিকার কেড়ে নিয়ে নিজেদের দেশেই আমাদের দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক ও বহিরাগত বানিয়ে দিচ্ছে। মুসলিম, নারী, দলিত, আদিবাসী ও দরিদ্র শ্রমিকদের বারবার দীর্ঘ লাইনে দাঁড় করিয়ে তাদের কাছে প্রমাণ চাওয়া হচ্ছে যে তারা ভারতের নাগরিক।’

বিজেপি সরকারকে ইঙ্গিত করে তিনি আরও বলেন, ‘যারা বছরের পর বছর নিজেদের কার্যালয়ে ভারতের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল, তারা আজ ভারতীয় জনগণের কাছে নাগরিকত্বের প্রমাণ চাওয়ার কে? ভারতীয় জনগণকে নিজেদের ইচ্ছার কাছে মাথা নত করাতে আপনারা শেষ পর্যন্ত আপনাদের পূর্বসূরি ব্রিটিশদের কৌশলই গ্রহণ করেছেন। আপনাদের পূর্বসূরিরা যেমন ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামীদের মুচলেকা সই করিয়ে জেলে পাঠিয়েছিল, আপনারাও আজ ঠিক তা-ই করছেন।’

সমাবেশে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচন ছিল ‘চোরাই’ ও সম্পূর্ণ ‘অবৈধ’।

তিনি দাবি করেন, ২০২৪ সালের নির্বাচনের পর ভারতের প্রায় ১৫ শতাংশ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

বিজেপিকে অভিযুক্ত করে রাহুল বলেন, দলটি ইভিএমের অপব্যবহার এবং ভোটার তালিকায় নাম যুক্ত ও বাদ দেওয়ার কারচুপির মাধ্যমে ভোট চুরি করেছে। কেবল লোকসভা নির্বাচনই নয়; মধ্যপ্রদেশ, হরিয়ানা, ছত্তিশগড়, মহারাষ্ট্র ও কর্ণাটকের নির্বাচনেও একইভাবে ভোট চুরি করা হয়েছে।

তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান ও পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে পশ্চিমবঙ্গকে ‘লুট’ করার অভিযোগ তোলেন। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) বিরোধিতা করে মমতা বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গ এই এসআইআর-এর অন্যতম প্রধান শিকার। আমরা গণতন্ত্রকে রক্ষা করব এবং ফিরিয়ে আনব। আমরা লড়াই করব, কিন্তু কিছুতেই আত্মসমর্পণ করব না।’

তিনি আরও বলেন, নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতি ও গণতান্ত্রিক কাঠামোর মধ্য দিয়েই বিরোধীদের এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।


এ জাতীয় আরো খবর...