দেশের অগ্নিদগ্ধ রোগীদের প্রধান ও একমাত্র পূর্ণাঙ্গ বিশেষায়িত ভরসাস্থল রাজধানীর ‘জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট’। গুরুতর অগ্নিকাণ্ড বা দুর্ঘটনার সময় জাতীয় পর্যায়ে এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু বিস্তারিত..
বাংলাদেশে হামের প্রাদুর্ভাব এক ভয়াবহ ও প্রাণঘাতী রূপ ধারণ করেছে। হামে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া শিশুদের মধ্যে মৃত্যুর হার উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। তবে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও চিকিৎসকরা বলছেন, কেবল হাম
সাপের ছোবল হয়তো কয়েক সেকেন্ডের একটি ঘটনা, কিন্তু এরপর রোগীর স্বজনদের জন্য শুরু হয় এক অন্তহীন দুঃস্বপ্ন। বিষের যন্ত্রণার চেয়েও তাদের কাছে বেশি ভয়ংকর হয়ে ওঠে এক নিদারুণ বাস্তবতার মুখোমুখি
দেশজুড়ে হামের প্রকোপ এক ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। চলমান টিকাদান কর্মসূচি সত্ত্বেও প্রতিদিনই দীর্ঘ হচ্ছে আক্রান্ত ও মৃতের তালিকা, যাদের অধিকাংশই নিষ্পাপ শিশু। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী মে মাসের মাঝামাঝি
দেশে হামের প্রাদুর্ভাবে একের পর এক শিশুমৃত্যুর ঘটনার মধ্যেই এবার আরেক মরণব্যাধি জলাতঙ্কের টিকার তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। সরকারি হাসপাতালগুলোতে জলাতঙ্কের টিকা পাওয়া যাচ্ছে না, ফলে বাধ্য হয়ে দ্বিগুণ বা
বিগত এক দশকে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাত যে কয়েকটি ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন করেছিল, তার মধ্যে অন্যতম ছিল হাম ও রুবেলা নির্মূলের পথে অভাবনীয় অগ্রগতি। বৈশ্বিক পর্যায়ে বাংলাদেশের টিকাদান কর্মসূচি বা ইপিআই (EPI)
সারা দেশে হামের প্রকোপ উদ্বেগজনক হারে বেড়েই চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে এবং হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে আরও ৪ জন শিশু। বৃহস্পতিবার (২৩
আমাদের দেশের নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়া যেন সেই বিখ্যাত গল্পের মতো—রাজা নতুন জামা পরেছেন, সবাই হাততালি দিচ্ছে, শুধু একটি শিশু চিৎকার করে বলছে, “রাজা তো উলঙ্গ!” কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, আমাদের এই