বেঁচে থাকলে ঠিক এক বছর পর ২০২৭ সালের ১৭ই মে আমি চাকরি থেকে অবসরে যাব। আগামীকাল থেকে শুরু হবে নতুন জীবনের কাউন্ট ডাউন। এক…দুই…তিন… এ কাউন্ট আমার জন্য অতি আনন্দের। বিস্তারিত..
দিন দিন অনলাইনে প্রতারণা বাড়ছে। বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়া হয়ে গেছে একধরনের পুকুর। সেখানে আমরা হচ্ছি মাছ। প্রতারকরা অনবরত বরশি ফেলছে—অনেকেই না বুঝে সেই টোপ গিলছি। তারপর জীবন হচ্ছে ছারখার।
আপনি চলে গেছেন আজ তের বছর—কিন্তু চারিদিকে আপনার স্মৃতি। যখন ষাটের দশকে আপনার কেনা লং প্লেয়ারটি দেখি, তখন আপনার মুখ ভেসে ওঠে। সাহারা মরুভূমির ছবি দেখলেই আপনার কথা মনে পড়ে।
পরদিন আমার বিয়ে। বাবা আমাকে ডেকে পাঠালেন, বললেন— ‘চলো হাঁটতে যাই, কিছু কথা আছে।’ মে মাসের বিকেল, বেশ গরম। আমরা পিতাপুত্র চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ সিডিএ আবাসিক এলাকার ছয় নম্বর রোডে হাঁটছি।
আজ মেধাবী শিক্ষার্থীদের মিলনমেলায় গিয়েছিলাম। এরা সবাই কঠিন সংগ্রাম করে জীবনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে—অথবা এখনো পড়ছে এবং খুব ভালো রেজাল্ট করছে। তাদের কিছু কমন বৈশিষ্ট্য দেখলাম। আমার ধারণা, এসব অনুসরণ করলে
একশ বছরেরও বেশি সময় আগে আমার দাদি চট্টগ্রামের এক প্রত্যন্ত গ্রামের স্কুলে ক্লাস ফোর/ফাইভ পর্যন্ত পড়েছিলেন। এ বিরল ঘটনার পেছনে একটি কারণ আছে। তাহলো, তাঁর মামা ছিলেন রেঙ্গুনে শিক্ষা বিভাগে
১৯৪২ সাল। সোভিয়েত রাষ্টপ্রধান জোসেফ স্টালিন অনেক রাতে ঘুমাতে গেছেন। তিনি খুব ক্লান্ত। সারাদিন অনেক ধকল গেছে। তাই টেলিফোনের শব্দে তিনি খুব বিরক্ত হলেন। ভ্রু কুঁচকে তিনি তা রিসিভ করলেন।
১) আমার বাবার এক মামা ব্রিটিশ আমলে ‘এলএমএফ’ ডিগ্রি লাভ করেছিলেন। এটি ছিল চিকিৎসা বিদ্যায় ডিপ্লোমা। তখন এমবিবিএস ডিগ্রি চালু হয়নি। এলএমএফ ডিগ্রিধারীরাই সাধারণ চিকিৎসা দিতেন। আমার যদি ভুল না