অবশেষে ইরানে ইসরায়েলি আগ্রাসনের নিন্দা জানিয়েছেন আরব দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। একইসঙ্গে দ্রুত এই সামরিক উত্তেজনা থামানোর আহ্বানও জানিয়েছেন তারা। এছাড়া এই আগ্রাসনকে পুরো অঞ্চলের শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হিসেবেও বিস্তারিত..
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে দৈনিক প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলার অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে ইসরায়েল। মার্কিন গণমাধ্যম দ্যা ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এবং অন্য পশ্চিমা ও ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা
ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলছে সংঘাত। গত ১৩ জুন ইরানের পারমাণবিক ও সামরিক স্থাপনায় ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে এই সংঘাতের সূচনা। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে,
ইরানকে শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি উন্নয়নে সহায়তা করতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি বলেছেন, রাশিয়া বারবার ইসরাইলকে জানিয়েছে যে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে—এমন কোনো প্রমাণ নেই।
শিশুদের ওপর গুরুতর সহিংসতার অভিযোগে জাতিসংঘ আবারও ইসরায়েলকে ‘কালোতালিকায়’ অন্তর্ভুক্ত করেছে। বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) প্রকাশিত জাতিসংঘের বার্ষিক প্রতিবেদন ‘চিলড্রেন ইন আর্মড কনফ্লিক্ট’-এ এই তথ্য জানানো হয়েছে। দ্বিতীয় বছরের মতো এই
ইরানের ‘সরকারি অবকাঠামোগুলোতে’ আরও শক্তিশালী হামলা চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ। শুক্রবার (২০ জুন) এক বিবৃতিতে এই নির্দেশনা দেন তিনি। বিবৃতিতে ইসরায়েল কাৎজ বলেন, আমরা ইরান সরকারের প্রতিটি
ইসরায়েলি দৈনিক হারেৎজের কলাম লেখক গিডিওন লেভি বলেছেন, ইসরায়েল-ইরান সংঘাত নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে কয়েক সপ্তাহ অপেক্ষা করতে পারেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এমন পরিস্থিতিতে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ও তার
ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে সংঘাত বহু দশক ধরে চলা বৈরিতার ফল। কিন্তু ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের আগে পর্যন্ত ইরান ও ইসরাইল ঘনিষ্ঠ মিত্র ছিল, যাদের মধ্যে ব্যাপক অর্থনৈতিক ও সামরিক