শিরোনামঃ
‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’-এর যাত্রা অব্যাহত থাকবে: নতুন গভর্নর দুদকের শীর্ষ তিন কর্মকর্তার পদত্যাগ: সচিবালয়ে ১০ মিনিটের আনুষ্ঠানিকতায় বিদায় প্রশাসনে বড় পরিবর্তন: পাঁচ গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে নতুন সচিব নিয়োগ ১২ মার্চ সংসদে উঠছে অন্তর্বর্তী সরকারের সব অধ্যাদেশ: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ‘একটি দল নিজের পায়ে নিজেই কুড়াল মারছে’: শিশির মনির ইউক্রেন যুদ্ধ: রাশিয়ার হয়ে লড়তে যাওয়া শতাধিক বাংলাদেশির মধ্যে ৩৪ জনের মৃত্যুর খবর ইরানে হামলা ও মার্কিন অর্থনীতির ‘অগ্নিপরীক্ষা’ এ কোন ইরান দেখছে বিশ্ব চীন-মার্কিন ‘প্রক্সি ওয়ার’ ও বাংলাদেশের নতুন কূটনৈতিক সমীকরণ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কোস্টগার্ড মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ: সমুদ্রসীমায় সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান
বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন

জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্টের রুল জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা / ৪ বার
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬

জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) এবং গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ ও আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) পৃথক দুটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলাম শাহীনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

রিট আবেদন ও আদালতের পর্যবেক্ষণ

গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী চৌধুরী মো. রেদোয়ান-ই-খোদা এবং গত সপ্তাহে আইনজীবী গাজী মো. মাহবুব আলম পৃথক দুটি রিট দায়ের করেন। আবেদনে বলা হয়, জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোট অধ্যাদেশের ৩ ধারা ও তফসিল বর্তমান সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। শুনানি শেষে আদালত মামলার বিবাদীদের এই রুলের জবাব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

শুনানিতে উভয় পক্ষের যুক্তি

আদালতে রিট আবেদনকারীদের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম, সৈয়দ মামুন মাহবুব ও ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া শুনানি করেন। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন এবং জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।

অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক। তারা সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের আইনি ভিত্তি তুলে ধরেন।

রিটের মূল দাবি ও অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশনা

রিটকারী আইনজীবীরা আদালতকে জানান, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথের জন্য যে চিঠি দেওয়া হয়েছিল, তা সংবিধানের মূল কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। আবেদনে রুল বিচারাধীন থাকা অবস্থায় গণভোট অধ্যাদেশের কার্যক্রম এবং সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ প্রক্রিয়ার ওপর অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ বা স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।


⚖️ আদালতের আদেশের সারসংক্ষেপ

⚖️ হাইকোর্ট আপডেট: জুলাই জাতীয় সনদ

আদেশের বিষয় জাতীয় সনদ ও গণভোট অধ্যাদেশের বৈধতা নিয়ে রুল জারি।
সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলাম শাহীন।
মূল চ্যালেঞ্জ অধ্যাদেশের ৩ ধারা ও তফসিল সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়া।
পরবর্তী ধাপ বিবাদীদের রুলের জবাব প্রদান।
তদন্তাধীন বিষয়: সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ ও ১৬ ফেব্রুয়ারির চিঠির বৈধতা।


এ জাতীয় আরো খবর...