সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৪০ বছরে উন্নীত করার দাবিতে আবারও রাজপথে নেমেছেন চাকরিপ্রার্থীরা। বুধবার (৪ মার্চ) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্য প্রাঙ্গণে কয়েকশ শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থী অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। এর আগে ৩৫ বছর করার দাবিতে আন্দোলন চললেও এখন তাঁরা ৪০ বছরের সুনির্দিষ্ট দাবি নিয়ে আন্দোলনে শামিল হয়েছেন।
আন্দোলনকারীরা জানান, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় গঠিত পর্যালোচনা কমিটি ছেলেদের জন্য ৩৫ এবং মেয়েদের জন্য ৩৭ বছর করার সুপারিশ করলেও শেষ পর্যন্ত তা ৩২ বছরে নির্ধারণ করা হয়। চাকরিপ্রার্থীদের মতে, ৩২ বছর কোনোভাবেই তাঁদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা দূর করার জন্য যথেষ্ট নয়।
অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তারা তাঁদের দাবির পক্ষে দুটি প্রধান কারণ তুলে ধরেন:
করোনা মহামারি: মহামারির কারণে টানা তিন বছর চাকরির কোনো সার্কুলার হয়নি।
সেশন জট: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জীবনে প্রায় দুই বছরের সেশন জট সৃষ্টি হয়েছে। এই দুই কারণে শিক্ষার্থীদের জীবন থেকে মূল্যবান ৫টি বছর নষ্ট হয়েছে বলে তাঁরা দাবি করেন। এই ‘নষ্ট সময়’ পুষিয়ে নিতেই বয়সসীমা ৪০ করা এখন সময়ের দাবি।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নিজে দীর্ঘ ১৭ বছর বঞ্চনার শিকার ছিলেন, তাই তিনি আমাদের ৫ বছর সময় নষ্ট হওয়ার বেদনা ও বঞ্চনা অন্য যে কারো চেয়ে ভালো বুঝবেন।” তাঁরা আশা প্রকাশ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ার যে স্বপ্ন দেখছেন, তার সাথে সংগতি রেখে বয়সসীমাও পুনর্নির্ধারণ করবেন।