বাংলাদেশের শিক্ষা, প্রযুক্তি এবং পল্লী উন্নয়ন খাতে চলমান অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী ও বিস্তৃত করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে সুইজারল্যান্ড। বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে ঢাকায় নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেতো রেংগলি এই ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেন।
বৈঠকের শুরুতেই রাষ্ট্রদূত রেতো রেংগলি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করায় এবং মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, সুইজারল্যান্ড বাংলাদেশের সঙ্গে একটি ইতিবাচক, গঠনমূলক এবং ভবিষ্যতমুখী সম্পর্ক গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর।
বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পাশাপাশি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়:
পল্লী উন্নয়ন: গ্রামীণ জনপদের জীবনমান উন্নয়নে সুইজারল্যান্ডের চলমান প্রকল্পগুলোর পরিধি বৃদ্ধির আশ্বাস।
প্রযুক্তি ও শিক্ষা: বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতের আধুনিকায়ন এবং দক্ষ জনবল তৈরিতে সুইজারল্যান্ডের কারিগরি সহযোগিতা প্রদান।
জলবায়ু চ্যালেঞ্জ: জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় যৌথভাবে কাজ করার অঙ্গীকার।
বিনিয়োগ সম্প্রসারণ: দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের নতুন ক্ষেত্র তৈরির সম্ভাবনা।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সুইজারল্যান্ডকে বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী রাষ্ট্র হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের বর্তমান প্রাতিষ্ঠানিক ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় সুইজারল্যান্ডের ভূমিকা অনস্বীকার্য।” মন্ত্রী এ সময় সুইজারল্যান্ডের প্রতিনিধি দলকে বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম সরাসরি দেখার জন্য মাঠ পর্যায়ে পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানান।
উভয় পক্ষই আশা প্রকাশ করেন যে, শিক্ষা, প্রযুক্তি এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের এই অংশীদারিত্ব ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ডের উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারাকে আরও বেগবান করবে।