আগামী পহেলা বৈশাখের মধ্যে ৯টি উপজেলায় পাইলট প্রকল্প হিসেবে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণের কার্যক্রম শুরু হবে। বুধবার (৪ মার্চ) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ।
কৃষিমন্ত্রী জানান, প্রাথমিকভাবে সারা দেশে একযোগে নয়, বরং পাইলট ভিত্তিতে ৮ থেকে ৯টি উপজেলায় এই কার্ড বিতরণ শুরু হবে। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে আজ গুরুত্বপূর্ণ মিটিং হয়েছে। আমরা আশা করছি, ইনশাআল্লাহ পহেলা বৈশাখের মধ্যেই এই কার্যক্রম শুরু করতে পারব।”
ফ্যামিলি কার্ডের আদলে তৈরি এই কৃষক কার্ডের মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষকদের সরাসরি বিভিন্ন সুবিধা প্রদানের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। কার্ডের মূল উদ্দেশ্যগুলো হলো:
সঠিক তথ্যভাণ্ডার: কৃষি জমি, উৎপাদিত পণ্য এবং পণ্যের জাত সম্পর্কে সরকারের কাছে সঠিক তথ্য নিশ্চিত করা।
নিয়মতান্ত্রিক সুবিধা: কৃষকরা যাতে বীজ, সার ও অন্যান্য সরকারি সহায়তা সঠিক সময়ে ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে পান, তা নিশ্চিত করা।
প্রান্তিক কৃষকের উন্নয়ন: যারা প্রকৃত অর্থেই প্রান্তিক কৃষক, তাদের জন্য বিশেষ বেনিফিট বা ভাতার ব্যবস্থা করা।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন থেকে শুরু করে ভোক্তা পর্যায় পর্যন্ত একটি চেইন তৈরি হবে। এতে কৃষি খাতের প্রতিটি পর্যায় ডিজিটাল মনিটরিংয়ের আওতায় আসবে, যা ভবিষ্যতে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে বড় ভূমিকা রাখবে।