আমি মাঝে মাঝে আমার লেখাগুলো ফাইনাল করার পর চ্যাটজিপিটির মাধ্যমে সেগুলোর বানান ও স্পেস চেক করি। এটি যে একটি খুব অস্বস্তিকর অবস্থা সৃষ্টি করে তা জানতাম না। একজন বন্ধু জানালেন, এর ফলে চ্যাটজিপিটি দাবি করে লেখাটি তার লেখা!
১ ) চ্যাটজিপিটিকে লেখার বানান ও স্পেস ঠিক করার অনুরোধ। (সেখানে লেখা অবিকল রাখতে বলা হয়েছে)
৩) চ্যাটজিপিটির নিজের লেখা বলে দাবি।
৪, ৫, ৬ ছবিতে দেখুন চ্যাটজিপিটির ভুল স্বীকার করেছে। সে উত্তর দিয়েছে AI detector ভুল করেছে।
আমার মৌলিক লেখা অবিকল রাখার পরও শুধু বানান ও স্পেস ঠিক করে এ দাবি
খুব বিব্রতকর। তাও আমি চ্যাটজিপিটির ‘মসৃন’ করার পরামর্শ রাখি না। শুধু শুদ্ধ বানান রাখি।
৪৬ বছরের লেখক জীবনে এমন বিব্রতকর অভিজ্ঞতা আর হয়নি।
আমি চ্যাটজিপিটিকে প্রশ্ন করেছিলাম কেন এটা হলো। সে উত্তর দিয়েছে- সে লেখাটি লিখেনি। শুধু বানান ঠিক করেছে। AI detector এ জাতীয় ভুল করে।
সবাই ব্যাপারটি মাথায় রাখবেন।
(ভবিষ্যতে আমি বানান চেকও করাব না। এধরনের অভিজ্ঞতা কি আর কারো হয়েছে? আপনারা যারা চ্যাটজিপিটি আসার আগ থেকে আমার লেখা পড়েন তাঁরা কি মনে করেন আমি এধরনের কাজ করব? )
এ জাতীয় আরো খবর...