বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ১২:১৪ পূর্বাহ্ন

পদত্যাগের ৪৮ ঘণ্টা পর মুখ খুললেন সদ্য সাবেক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১ বার
প্রকাশ: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের ৪৮ ঘণ্টা পর অবশেষে মুখ খুলেছেন দীপেন দেওয়ান। বুধবার (৩ জুন) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি পার্বত্যবাসীকে শান্ত থাকার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি নিজের রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।

গত সোমবার (১ জুন) দুপুরে শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। এরপর থেকেই তার অনুসারীরা মিছিল, মিটিং ও বিক্ষোভ সমাবেশসহ নানা কর্মসূচি পালন করে আসছিলেন। রাজনৈতিক পরামর্শকদের পরামর্শে প্রথম দিকে চুপ থাকলেও, উদ্ভূত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে তিনি এই বার্তা দেন।

খবরের মাঝখানে থাকা অপ্রাসঙ্গিক অংশগুলো (যেমন- আরও পড়ুন) বাদ দিয়ে মন্ত্রীর ফেসবুক পোস্টের মূল বিষয়গুলো নিচে সাজিয়ে দেওয়া হলো:

ফেসবুক পোস্টে তিনি যা যা উল্লেখ করেছেন:

  • শান্তি ও সম্প্রীতির আহ্বান: পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা—রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের সর্বস্তরের মানুষের আবেগ ও উদ্বেগের বিষয়টি তিনি গভীরভাবে অবগত বলে জানান। পাহাড়ি-বাঙালি নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের মানুষকে শান্ত ও ধৈর্যশীল থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “কোনো ধরনের উসকানি, বিভ্রান্তি বা সংঘাতের পথে না গিয়ে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও সৌহার্দ্যের পরিবেশ অক্ষুণ্ণ রাখুন।”

  • রাজনৈতিক আনুগত্য ও অঙ্গীকার: তার বাবা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উপদেষ্টা ছিলেন—এ কথা গর্বের সঙ্গে স্মরণ করে দীপেন দেওয়ান বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দিকনির্দেশনায় তিনি বিএনপিতে যোগ দিয়েছিলেন। তিনি স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেন, বিএনপিই তার রাজনৈতিক আদর্শের শেষ ঠিকানা। ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক যেকোনো পরিস্থিতিতেই তিনি দলের প্রতি আনুগত্য অটুট রাখবেন এবং কখনো দল ত্যাগ করবেন না।

  • নেতৃত্বের প্রতি আস্থা: তিনি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি পূর্ণ আস্থা জ্ঞাপন করে বলেন, “নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এগিয়ে যেতে চাই।”

  • উন্নয়ন ও ঐক্যের বার্তা: ব্যক্তি নয়, জনগণের কল্যাণই সবচেয়ে বড় বিষয় বলে তিনি উল্লেখ করেন। মতপার্থক্য থাকলেও সংঘাত নয়, বরং পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নের স্বার্থে তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

পরিশেষে তিনি “সবার আগে বাংলাদেশ, বাংলাদেশ জিন্দাবাদ” স্লোগান দিয়ে নিজের পোস্টটির ইতি টানেন।


এ জাতীয় আরো খবর...