ব্যাপারগুলো ছোটো মনে হয়, আসলে কিন্তু খুব গুরুত্বপূর্ণ। অথচ আমরা খেয়াল করি না- করলে নিজেরাও উপকৃত হতাম, সাথে অন্যরাও।
১ ) বিয়ে বাড়িতে বর-কনে নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করা উচিত নয়।তারা একটি নতুন জীবন শুরু করতে যাচ্ছে- অন্তত এই একটি দিন সুন্দর কথা শোনা তাদের অধিকার।
২ ) নববিবাহিতরা একটু নিজেদের মতো সময় কাটাতে চাইবে এটাই স্বাভাবিক। এ ব্যাপারে নাক গলানো উচিত নয়। বিয়ের পর একটু একান্ত সময় আমি- আপনিও চেয়েছিলাম।
৩) নবজাত শিশুর মা রাতে বাচ্চার যত্ন নেওয়ার জন্য ঠিকমতো ঘুমাতে পারেন না। তাই অসময়ে তার ঘুম চলে আসে। এর জন্য তাঁর সমালোচনা করা উচিত নয়।
৪ ) নবজাত শিশুকে নিয়ে তার মা-বাবার সামনে অগ্রহণযোগ্য মন্তব্য করা অভদ্রতা। প্রতিটি শিশুই তার মা-বাবার কাছে বাগানের সবচেয়ে সুন্দর গোলাপ।
৫ ) কারো সন্তানের পরীক্ষার রেজাল্ট কেমন হয়েছে তা তিনি না বললে জিজ্ঞেস করাটা অশোভন। এতে অনেক সময় বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি হয়।
৬ ) রেস্টুরেন্টে খাওয়ার পর ওয়েটারকে সম্ভব হলে কিছু বেশি বকশিশ দেওয়া ভালো। এরা খুব স্বল্প বেতনভোগী- তাই তাঁদের সংসার অনেকটাই বকশিশের উপর নির্ভর করে।
৭ ) গাড়ির চালককে অনেকেই তুমি করে বলেন, আমার মতে এটা ঠিক নয়। সবচেয়ে খারাপ লাগে, ম্যাডামরা যখন তাঁদের সাহেবের অফিসের গাড়িচালককে তুমি করে বলেন। তিনি তো দূরের কথা, স্বয়ং সাহেবেরই চালককে তুমি বলা উচিত নয়।একইভাবে নিম্নপদস্থ কাউকে তুমি বলাটা খুব অশোভন। ( ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিগত সম্পর্ক থাকলে ভিন্ন কথা)
৮) বাড়িতে হেল্পিং হ্যান্ড থাকলে তাঁকে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ দেওয়া জরুরি। তাঁর শরীরও বিশ্রাম চায়। তাঁকে যাতে বাচ্চারা তুমি বলে না ডাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখা দরকার। তাঁদের প্রতি আচরণ হচ্ছে শিশুর ভদ্রতা শেখার প্রথম ধাপ।
৯ ) একটা সময় মানুষের ব্যস্ততা কম ছিল। তাই হুটহাট করে যে কারো বাসায় চলে যাওয়া যেতো। এখন সবাই কমবেশি ব্যস্ত। তাই কারো বাসায় গেলে আগে বলে যাওয়া ভালো।
১০) লাইনে দাঁড়ানো অবস্থায় কোনো বৃদ্ধকে পেছনে দেখলে তাঁকে আগে সুযোগ দেওয়া উচিত। তাঁদের অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে কষ্ট হয়।
এ জাতীয় আরো খবর...