শিরোনামঃ
নিষিদ্ধ দলের ঝটিকা মিছিলে কঠোর অবস্থানে সরকার: রাজনৈতিক গুঞ্জনে উত্তাল ডিসেম্বর ই-রিকশা চলাচলে নতুন বিধিমালা প্রণয়ন: ১২ বছরের আয়ুষ্কাল ও ২৫ কিমি গতিসীমা নির্ধারণ রাষ্ট্রায়ত্ত রূপালী ব্যাংকের নাজুক দশা: শীর্ষ ২০ খেলাপির কাছে আটকে আছে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনা: জাপানের সব শর্ত মেনে নিল বাংলাদেশ ৯ হাজার ৫০০ টন চাল বিতরণ স্থগিত করেছে খাদ্য অধিদপ্তর: ভারত থেকে আমদানিকৃত চালে ক্যানসারের উপাদান ব্যাংক খাতে আস্থার নতুন মাপকাঠি: ৫০ হাজার কোটির বেশি আমানত নিয়ে শীর্ষ অবস্থানে আট বেসরকারি ব্যাংক বাই দ্য রিভারস অব ব্যাবিলন – ৬ ভারতে মুসলিম-দলিতদের প্রতিনিয়ত নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হচ্ছে: নেহা গঙ্গা পানি চুক্তি নবায়নের প্রাক্কালে বিহারের নতুন দাবি ভারতের সঙ্গে পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত না হলে ট্রানজিট বন্ধের হুঁশিয়ারি নাহিদ ইসলামের
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৩৪ অপরাহ্ন

সার্ভাইক্যাল কলার ব্যবহারের সঠিক নিয়ম

ডা. আলতাফ হোসেন সরকার / ৭ বার
প্রকাশ: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬

আমরা বিভিন্ন ঘাড়ের ইনজুরির জন্য যে কলার পরে থাকি সেটিকে
সার্ভাইক্যাল কলার বলে। সার্ভাইক্যাল কলারের ব্যাপারে আমাদের ৪২
বছরের ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতা ছাড়াও যারা ক্লিনিক্যাল পেইনের গবেষণা
করে তাদের গবেষণা থেকে যেখানে সার্ভাইক্যাল স্পাইন ইনস্টিটিউট
আছে সেখান থেকে তথ্যগুলো একত্রে করে বলা যায়, যদি আপনার ঘাড়ে
কোনো আঘাত লাগে তাহলে আপনি কলার ব্যবহার করতে পারেন।
আপনার সার্ভাইক্যাল রিজনে যে সাতটি বোন আছে সেখানে যদি ফ্র্যাকচার
হয় তাহলে আপনি কলার ব্যবহার করতে পারবেন অথবা আপনার যদি
হুইফ্লাস ইনজুরি হয় তাহলে আপনি কলার ব্যবহার করতে পারবেন। হুইফ্লাস ইনজুরি শব্দটা আমাদের কাছে অপরিচিত কিন্তু প্রতিনিয়ত
আমরা এর সম্মুখীন হয়ে থাকি, যেমন: আমরা যখন রিকশায় চড়ে যেতে
থাকি হঠাৎ করে পেছন থেকে আরেকটা রিকশা সামনের রিকশাটাকে ধাক্কা
দেয় এবং ধাক্কা দেয়ার ফলে আমাদের অবস্থান থেকে সামনের দিকে
আমাদের মাথা চলে যায়, আবার পিছন দিকে ঝাঁকি দেয়, এটা হলো
হুইফ্লাস ইনজুরি। যা উন্নত দেশগুলোতে অনেক পরিচিত।
আমাদের দেশেও অনেক কমন কিন্তু এ সম্বন্ধে আমরা বেশি জানি না।
এছাড়া ঘাড়ের ব্যথা হতে পারে। এ ব্যথা হাতের বিভিন্ন জায়গায় যায় সে কারণে কলার ব্যবহারে উপদেশ দেয়া হয়। আমরা অনেক সময় রোগীদের
দেখে থাকি তারা সঠিকভাবে কলার পরতে পারে না এবং সে কলার কতদিন
পরতে হবে এ ব্যপারেও সঠিকভাবে কিছু জানে না।
আমরা আমাদের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি কলার এসব নিয়মে ব্যবহার
করতে হয় কিন্তু এ কলার কতদিন ব্যবহার করতে হবে। প্রথমে আপনার
ট্রমা হলে আপনি ব্যবহার করবেন, আপনার কনসালটেন্ট আপনাকে বলে
দেবে আপনি কতদিন কলার ব্যবহার করতে পারবেন। স্পাইন ফ্র্যাকচার
হয়েছে ওখানে সিনেশন করা হয় হয়েছে ব্রেস অথবা কলার ব্যবহার করবেন
বা কতদিন করবেন আপনার সার্জন বলে দেবে। কিন্তু আমরা না বুঝে কলার
অনেক দিন ধরে ব্যবহার করে থাকি। কলার ব্যবহারের যেমন অনেক সুবিধা
আছে তেমনি অসুবিধাও আছে। কলার অনেকদিন ধরে ব্যবহার করলে
ঘাড়ের মাসল দুর্বল আবার মাসল টাইট হয়ে যায়।
আমরা যে কলার ব্যবহার করি সে কলার কি আমাদের সঠিক মাপের।
কারণ, যারা কলার তৈরি করে সেসব কোম্পানি বলে একেকজন মানুষের
চিন এবং ঘাড়ের মাপ একেক রকমের হয়।প্রতিদিন মানুষ কষ্টমুক্ত থাকলে ভালো বোধ করে। আর সারাদিন পরিশ্রমের
পর রাতে যখন ঘুমাতে যায় সে ঘুমটা যেন ব্যথামুক্ত হয়।
যেসকল রোগীদের ঘাড়ে ব্যথা তাদের মনে প্রশ্ন জাগে কী ধরনের
বালিশ ব্যবহার করবে। রোগীদের অ্যাসেসমেন্ট করার সময় আমরা বুঝতে
পারি কী ধরনের বালিশ তিনি ব্যবহার করবেন। এছাড়াও পাতলা এবং উঁচু
বালিশে শুয়ে দেখি সে কোন বালিশে আরামদায়ক বোধ করে অথবা ব্যথা
বেড়ে যায়। পাতলা বালিশ ব্যবহারে ঘাড়ে কম্প্রেশন হয়।
যদি পাতলা বালিশে ব্যথা বেড়ে যায় তাহলে ওই বালিশে শোয়া যাবে
না। আমাদের প্র্যাকটিসে দেখতে পাই পাতলা বালিশে অধিকাংশ রোগীই
কষ্ট বোধ করে। অপরদিকে রোগীকে বেশি মোটা বালিশে শোয়ানো হলে
মাথা সামনের দিকে বাঁকা হয় অর্থাৎ পাতলা বালিশে ঘাড়ে যে কম্প্রেশন হয়
সে জায়গা ফাঁকা হয়ে যায়, তখন ব্যথা কমে যায়।


এ জাতীয় আরো খবর...