ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে শুরু করে রাজধানীর ব্যস্ততম এলাকাগুলোর চিত্র এখন অনেকটাই এক। পেট্রোল পাম্পগুলোর সামনে যানবাহনের দীর্ঘ সারি, চালকদের চোখেমুখে ক্লান্তির ছাপ আর দীর্ঘ অপেক্ষার পর ‘তেল নেই’ বা ‘সামান্য বিস্তারিত..
গ্যাস ও জ্বালানি তেলের দামের আগুনে এমনিতেই পুড়ছে সাধারণ মানুষ। এর মধ্যেই নতুন দুঃসংবাদ হয়ে আসছে বিদ্যুতের বাড়তি বিল। ইউনিটপ্রতি ৭০ পয়সা থেকে ১ টাকা ৮০ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর
একদিকে তীব্র তাপপ্রবাহের দাবদাহ, অন্যদিকে ভয়াবহ লোডশেডিং এবং দেশব্যাপী এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা তীব্র জ্বালানি সংকট—সব মিলিয়ে দেশের কৃষি খাতে এক নজিরবিহীন বিপর্যয় নেমে এসেছে। বিশেষ করে চলতি
দেশে গ্রীষ্ম মৌসুম শুরু হতে না হতেই বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় চরম অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম হওয়ায় ঢাকাসহ সারা দেশেই লোডশেডিং ফিরে এসেছে। তবে লোডশেডিংয়ের এই আঘাত শহরের
সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবস। অফিস শেষে ঘরে ফেরার তাড়া সবার চোখেমুখে। ঘড়িতে তখন বিকেল সাড়ে ৫টা। রাজধানীর প্রাণকেন্দ্র শাহবাগ মোড়ে বিভিন্ন গন্তব্যের অসংখ্য মানুষ বাসের অপেক্ষায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে আছেন।
জ্বালানি তেলের দাম এক লাফে ব্যাপকভাবে বাড়ানোর সরকারের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত দেশের অর্থনীতি ও জনজীবনে এক নতুন এবং গভীর সংকটের জন্ম দিয়েছে। পরিবহন খাত থেকে শুরু করে শিল্প উৎপাদন, এবং পাইকারি
সাগরে ভাসমান একটি এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) হঠাৎ কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশজুড়ে তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড এক
জ্বালানি তেল ও তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) রেকর্ড মূল্যবৃদ্ধির কশাঘাতে সাধারণ মানুষের পিঠ যখন এমনিতেই দেয়ালে ঠেকে গেছে, ঠিক তখনই জনজীবনে নেমে আসতে পারে আরও একটি বড় আঘাত। এবার আবাসিক