শিরোনামঃ
এম্পটি নেস্ট সিনড্রোম: সন্তান বিচ্ছেদের শূন্যতা—১০টি পরামর্শ পাঁচ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডিপি ওয়ার্ল্ডকে এনসিটি দেওয়ার প্রতিবাদে ১২ অক্টোবর অনশন দিল্লিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা জেন-জিদের দিল্লিতে লকডাউন: ধ্রুব রাঠি-দীপকের পর এবার আটক কেজরিওয়াল-মমতা ব্যানার্জি, যন্তর মন্তরে ব্যাপক ধরপাকড় ব্যাংক খাত পুনর্গঠনে বছরে ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন: গভর্নর ছয় মিনিটও সময় নেয়নি বিএনপি, জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছে: আখতার হোসেন হাম উপসর্গে আরও ৮ জনের মৃত্যু প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব ও বিনিয়োগকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে : হুমায়ুন কবির গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে শহীদ নাজির উদ্দিন জেহাদের আত্মত্যাগ জাতির প্রেরণা : রুহুল কবির রিজভী
রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৮ পূর্বাহ্ন

থাইরয়েড নিয়ন্ত্রণে ডায়েট: কী খাবেন আর কী এড়িয়ে চলবেন?

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৯৩ বার
প্রকাশ: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

থাইরয়েড রোগ পুরোপুরি খাবার খেয়ে সেরে না গেলেও সঠিক খাদ্যাভ্যাস হরমোনের ভারসাম্য রক্ষা করতে এবং ওষুধের কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। থাইরয়েড প্রধানত দুই ধরনের— হাইপোথাইরয়েড (হরমোন কম তৈরি হওয়া) এবং হাইপারথাইরয়েড (হরমোন বেশি তৈরি হওয়া)।

থাইরয়েড রোগীদের জন্য বিশেষভাবে কার্যকর ৪ ধরনের খাবারের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

১. আয়োডিনযুক্ত খাবার

থাইরয়েড হরমোন তৈরির জন্য আয়োডিন একটি অপরিহার্য উপাদান। আয়োডিনযুক্ত লবণ, সামুদ্রিক মাছ এবং পরিমিত পরিমাণে সামুদ্রিক শৈবাল খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে। তবে মনে রাখতে হবে, অতিরিক্ত আয়োডিন গ্রহণ করাও শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

২. সেলেনিয়াম সমৃদ্ধ খাবার

শরীরে থাইরয়েড হরমোন সক্রিয় করতে সেলেনিয়াম দারুণ সাহায্য করে। সেলেনিয়ামের ভালো উৎস হিসেবে ডিম, বিভিন্ন ধরনের মাছ, সূর্যমুখীর বীজ এবং কাজুবাদাম নিয়মিত খাওয়া যেতে পারে।

৩. জিঙ্ক ও আয়রন সমৃদ্ধ খাবার

হরমোনের সঠিক ভারসাম্য রক্ষায় জিঙ্ক ও আয়রন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ডাল, পালং শাক, কুমড়ার বীজ এবং গরুর মাংস থেকে এসব খনিজ উপাদান পাওয়া সম্ভব।

৪. প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার

থাইরয়েড রোগীদের শরীরের শক্তি বজায় রাখতে প্রোটিন অপরিহার্য। প্রোটিনের উৎস হিসেবে খাদ্যতালিকায় ডিম, মুরগির মাংস, ডাল এবং দই রাখা কার্যকর।


সতর্কতা (বিশেষ করে হাইপোথাইরয়েড রোগীদের জন্য): অতিরিক্ত চিনি, জাঙ্ক ফুড এবং সয়াবিন এড়িয়ে চলা উচিত। এছাড়া কাঁচা অবস্থায় অতিরিক্ত বাঁধাকপি, ফুলকপি ও ব্রকলি পরিমিত পরিমাণে খাওয়া প্রয়োজন।

হাইপোথাইরয়েড ও হাইপারথাইরয়েডের সাধারণ লক্ষণসমূহ

সতর্ক থাকতে আপনার শারীরিক লক্ষণের দিকে নজর দিন:

১. হাইপোথাইরয়েড (হরমোন কমলে):

  • শরীরের ওজন হঠাৎ বেড়ে যাওয়া।

  • অতিরিক্ত ক্লান্তি ও অবসাদ অনুভব করা।

  • ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া এবং চুল পড়া।

  • কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দেখা দেওয়া।

  • সবসময় শীত শীত ভাব লাগা।

২. হাইপারথাইরয়েড (হরমোন বাড়লে):

  • দ্রুত ওজন কমে যাওয়া।

  • হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া বা বুক ধড়ফড় করা।

  • অতিরিক্ত ঘাম হওয়া এবং গরম সহ্য করতে না পারা।

  • হাত-পা কাঁপা এবং মেজাজ খিটখিটে হওয়া।

  • অনিদ্রা বা ঘুমের সমস্যা।


যা এড়িয়ে চলবেন (বিশেষ করে হাইপোথাইরয়েডে)

সুস্থ থাকতে অতিরিক্ত চিনি, জাঙ্ক ফুড এবং সয়াবিন জাতীয় খাবার খাদ্যতালিকা থেকে কমিয়ে দিন। এছাড়া কাঁচা অবস্থায় অতিরিক্ত বাঁধাকপি, ফুলকপি ও ব্রকলি খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।


এ জাতীয় আরো খবর...