শিরোনামঃ
ব্রাজিল ম্যাচের জন্য টাকা খরচ করতে চায় না সরকার: আমিনুল হক ঢাকা-যশোর রুটে পুনরায় ফ্লাইট চালু করছে ইউএস-বাংলা পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের নিয়োগে আইনের ব্যত্যয় হয়নি রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় কেউ যেন জেলে না থাকে, সেটা নিশ্চিত করবে সরকার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানগণের সৌজন্য সাক্ষাৎ নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে ৮ হাজার কোটি টাকার পণ্য কিনবে টিসিবি বুদ্ধিবৃত্তিক ফ্যাসিজম চর্চাকারীদের সামাজিকভাবে বয়কটের আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর দেশের সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে চায় ইউএনডিপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় ডেনমার্কের সহযোগিতা কার্যকর ভূমিকা রাখবে : এলজিআরডি মন্ত্রী সালমান শাহকে নিয়ে সিনেমা ‘লাভ ৯৬’
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:১৯ অপরাহ্ন

থাইরয়েড নিয়ন্ত্রণে ডায়েট: কী খাবেন আর কী এড়িয়ে চলবেন?

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৭৯ বার
প্রকাশ: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

থাইরয়েড রোগ পুরোপুরি খাবার খেয়ে সেরে না গেলেও সঠিক খাদ্যাভ্যাস হরমোনের ভারসাম্য রক্ষা করতে এবং ওষুধের কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। থাইরয়েড প্রধানত দুই ধরনের— হাইপোথাইরয়েড (হরমোন কম তৈরি হওয়া) এবং হাইপারথাইরয়েড (হরমোন বেশি তৈরি হওয়া)।

থাইরয়েড রোগীদের জন্য বিশেষভাবে কার্যকর ৪ ধরনের খাবারের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

১. আয়োডিনযুক্ত খাবার

থাইরয়েড হরমোন তৈরির জন্য আয়োডিন একটি অপরিহার্য উপাদান। আয়োডিনযুক্ত লবণ, সামুদ্রিক মাছ এবং পরিমিত পরিমাণে সামুদ্রিক শৈবাল খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে। তবে মনে রাখতে হবে, অতিরিক্ত আয়োডিন গ্রহণ করাও শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

২. সেলেনিয়াম সমৃদ্ধ খাবার

শরীরে থাইরয়েড হরমোন সক্রিয় করতে সেলেনিয়াম দারুণ সাহায্য করে। সেলেনিয়ামের ভালো উৎস হিসেবে ডিম, বিভিন্ন ধরনের মাছ, সূর্যমুখীর বীজ এবং কাজুবাদাম নিয়মিত খাওয়া যেতে পারে।

৩. জিঙ্ক ও আয়রন সমৃদ্ধ খাবার

হরমোনের সঠিক ভারসাম্য রক্ষায় জিঙ্ক ও আয়রন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ডাল, পালং শাক, কুমড়ার বীজ এবং গরুর মাংস থেকে এসব খনিজ উপাদান পাওয়া সম্ভব।

৪. প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার

থাইরয়েড রোগীদের শরীরের শক্তি বজায় রাখতে প্রোটিন অপরিহার্য। প্রোটিনের উৎস হিসেবে খাদ্যতালিকায় ডিম, মুরগির মাংস, ডাল এবং দই রাখা কার্যকর।


সতর্কতা (বিশেষ করে হাইপোথাইরয়েড রোগীদের জন্য): অতিরিক্ত চিনি, জাঙ্ক ফুড এবং সয়াবিন এড়িয়ে চলা উচিত। এছাড়া কাঁচা অবস্থায় অতিরিক্ত বাঁধাকপি, ফুলকপি ও ব্রকলি পরিমিত পরিমাণে খাওয়া প্রয়োজন।

হাইপোথাইরয়েড ও হাইপারথাইরয়েডের সাধারণ লক্ষণসমূহ

সতর্ক থাকতে আপনার শারীরিক লক্ষণের দিকে নজর দিন:

১. হাইপোথাইরয়েড (হরমোন কমলে):

  • শরীরের ওজন হঠাৎ বেড়ে যাওয়া।

  • অতিরিক্ত ক্লান্তি ও অবসাদ অনুভব করা।

  • ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া এবং চুল পড়া।

  • কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দেখা দেওয়া।

  • সবসময় শীত শীত ভাব লাগা।

২. হাইপারথাইরয়েড (হরমোন বাড়লে):

  • দ্রুত ওজন কমে যাওয়া।

  • হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া বা বুক ধড়ফড় করা।

  • অতিরিক্ত ঘাম হওয়া এবং গরম সহ্য করতে না পারা।

  • হাত-পা কাঁপা এবং মেজাজ খিটখিটে হওয়া।

  • অনিদ্রা বা ঘুমের সমস্যা।


যা এড়িয়ে চলবেন (বিশেষ করে হাইপোথাইরয়েডে)

সুস্থ থাকতে অতিরিক্ত চিনি, জাঙ্ক ফুড এবং সয়াবিন জাতীয় খাবার খাদ্যতালিকা থেকে কমিয়ে দিন। এছাড়া কাঁচা অবস্থায় অতিরিক্ত বাঁধাকপি, ফুলকপি ও ব্রকলি খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।


এ জাতীয় আরো খবর...