শিরোনামঃ
৭২ বছর বয়সে ৩৫০ কোটির ব্লকবাস্টার অনলাইনে অর্ধেকের বেশি তথ্যই ভুল বা বিভ্রান্তিকর ‘নিউইয়র্ক সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হতে পারে’ জনগণের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকব: শফিকুর রহমান জুলাই ও অন্তর্বর্তী সরকারকে বিতর্কিত করার বয়ান ‘আওয়ামী লীগের বয়ান’: শফিকুল আলম সংসদ কার্যকর থাকলে লংমার্চ গণআকাঙ্ক্ষার পরিপন্থি: জহির উদ্দিন স্বপন বিএনপি নায়ক হতে পারতো, কিন্তু ভিলেনে পরিণত হয়েছে: তাজুল ইসলাম রংপুরে চার খুনের বিচার দ্রুত শেষ করার আশ্বাস ত্রাণমন্ত্রীর হজ ব্যবস্থাপনা সুষ্ঠু করতে সৌদির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে: ধর্মমন্ত্রী জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বিকল্প উৎস খুঁজছে সরকার : শামা ওবায়েদ
রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০৭ অপরাহ্ন

জনগণের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকব: শফিকুর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১০ বার
প্রকাশ: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সরকার জনগণের সঙ্গে ভাঁওতাবাজি ও প্রতারণা করছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, সরকার ওয়াদা দিয়ে তা লঙ্ঘন করছে। জনগণ তাদের ক্ষমা করবে না। জনগণের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথে থাকবেন।

শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কুমিল্লা নগরীর পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোটের ঢাকা–চট্টগ্রাম লংমার্চের পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় এই নেতা বলেন, ‘স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে এই রাস্তায় রক্ত ঢেলেছিলেন আপনাদের সঙ্গীরা। তাদের সেই দাবি পূরণ হয়নি। সেই দাবি পূরণ করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। ইনশাআল্লাহ, দাবি পূরণ করে ঘরে ফিরব।’

গণভোটের গণরায় ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়নের দাবি তুলে জামায়াতের আমির বলেন, ‘আমরা রাস্তায় নেমেছি গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন করার জন্য। রাস্তায় নেমেছি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়ন করার জন্য। আমরা রাস্তায় নেমেছি আপনাদের ঘরে গ্যাস ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য। রাস্তায় নেমেছি আপনাদের ঘরে বিদ্যুৎ ও বাতি জ্বালানোর ব্যবস্থা করার জন্য।’

তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা কি ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পান, গ্যাস পান? চাঁদাবাজি হয় কি না?’ দেশ মাদকে ছেয়ে গেছে উল্লেখ করে তিনি মাদক নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান। পথসভায় জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা ও জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহেরও বক্তব্য দেন। তিনি লংমার্চের ছয় দফা দাবি বাস্তবায়ন এবং গণভোটের গণরায় কার্যকর করার আহ্বান জানান।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। জনগণের এসব মৌলিক দাবি পূরণ না হলে সরকার গদিতে থাকতে পারবে না। তিনি গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নেরও দাবি জানান।

লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বলেন, দেশের ৭০ শতাংশ মানুষের দেওয়া রায় কার্যকর করতে হবে। এই রায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাস্তবায়িত না হলে সরকারকে ব্যর্থ করে দেওয়ার কথা বলেন তিনি।

খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেন, বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন এবং দেশকে সঠিক গন্তব্যে এগিয়ে নিতে সামনে আরও কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। লংমার্চের মধ্য দিয়ে চলমান আন্দোলনের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোটের ছয় দফা দাবিতে শনিবার সকালে রাজধানী থেকে ঢাকা–চট্টগ্রাম লংমার্চ শুরু হয়। নারায়ণগঞ্জের শিমরাইলসহ বিভিন্ন স্থানে পথসভা শেষে লংমার্চটি কুমিল্লায় পৌঁছে পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডে পথসভা করে। পরে চট্টগ্রামের উদ্দেশে লংমার্চটি যাত্রা করে।


এ জাতীয় আরো খবর...