বঙ্গোপসাগরের অথৈ নীল জলরাশির নিচে লুকিয়ে রয়েছে হাজার হাজার কোটি ঘনফুট গ্যাস ও মূল্যবান খনিজ সম্পদ। অথচ নিজেদের এই ট্রিলিয়ন ডলারের বিশাল সম্পদকে কাজে লাগাতে না পেরে, চরম জ্বালানি সংকট
আগামী জুন মাসে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কনফারেন্স বা বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্মেলন আয়োজন করা হচ্ছে। আগামী নভেম্বরে স্বল্পোন্নত দেশের বা এলডিসি তালিকা থেকে বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক উত্তরণের আগে
দীর্ঘদিনের স্থবিরতা ও জ্বালানি খাতের আমদানিনির্ভরতা কাটিয়ে দেশের বিশাল সমুদ্রসীমায় পড়ে থাকা অমূল্য খনিজ সম্পদ উত্তোলনের লক্ষ্যে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বর্তমান সরকার। বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানের
আগামী অর্থবছরে অন্তত চার ডজন পণ্য ও সেবার ওপর মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) এবং সম্পূরক শুল্ক বাড়ানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে চাল, গম,
দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে কালো টাকা বা অপ্রদর্শিত আয়ের নেতিবাচক প্রভাব ও বিস্তার দীর্ঘদিনের একটি জটিল এবং বহুল আলোচিত বিষয়। বিশেষ করে জমি, ফ্ল্যাট এবং বাণিজ্যিক স্পেস—এই জাতীয় স্থাবর সম্পদ কেনাবেচার
বাংলাদেশ বর্তমানে কোরবানির পশু উৎপাদনে সম্পূর্ণ স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে এবং দেশীয় খামারিদের উৎপাদন দিয়েই দেশের সার্বিক চাহিদা মেটানো সম্ভব। বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশে (কেআইবি) আয়োজিত এক বিশেষ
দেশের রপ্তানি খাতকে আরও শক্তিশালী, স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং বৈদেশিক মুদ্রার মজুত সুসংহত করার লক্ষ্যে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে সরকার। দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের রপ্তানি শিল্প, বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাত, আমদানিকৃত