বর্তমান সময়ে ভিডিও নির্মাণে ক্যামেরা, অভিনেতা বা বড় স্টুডিওর প্রয়োজনীয়তা কমিয়ে দিচ্ছে এআই প্রযুক্তি। এআই-এর সাহায্যে চিত্রনাট্য লেখা থেকে শুরু করে ভয়েস ওভার এবং চরিত্র ডিজাইন—সবই এখন কয়েক মিনিটে করা সম্ভব হচ্ছে। অ্যানিমেশন বা ভিজ্যুয়াল গল্প তৈরিতে খরচ ও সময় দুটিই সাশ্রয় হওয়ায় অনেকেই এখন একে পূর্ণকালীন পেশা হিসেবে গ্রহণ করছেন।
সাশ্রয়ী নির্মাণ: বড় স্টুডিওর বদলে একটি কম্পিউটার ও এআই সফটওয়্যারেই উন্নতমানের অ্যানিমেশন তৈরি করা যাচ্ছে।
সময় সাশ্রয়: কয়েক মিনিটের মধ্যেই স্ক্রিপ্ট থেকে শুরু করে ভিডিওর চূড়ান্ত রূপ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে।
অ্যালগরিদম সুবিধা: ছোট ও আকর্ষণীয় হওয়ায় এসব ভিডিও প্ল্যাটফর্মের অ্যালগরিদম দ্রুত প্রচার করে, ফলে ভিউ বেশি হয়।
বৈশ্বিক দর্শক: একই ভিডিও সহজে বিভিন্ন ভাষায় রূপান্তর করে বিশ্বব্যাপী দর্শকদের কাছে পৌঁছানো যাচ্ছে।
কম বিনিয়োগে বেশি আয়ের সুযোগ থাকায় নতুন নির্মাতাদের সংখ্যা বাড়ছে। দিনে একাধিক ভিডিও তৈরি করে ফেসবুক বা ইউটিউবে আপলোড করে বিজ্ঞাপন, স্পনসরশিপ এবং অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে উল্লেখযোগ্য আয় করছেন নির্মাতারা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভবিষ্যতে ফেসলেস চ্যানেল ও ভার্চুয়াল ইনফ্লুয়েন্সারের আধিপত্য বাড়বে। তবে মানুষের সৃজনশীলতা ও মৌলিক গল্পের আবেদন সবসময়ই থাকবে। এই প্রযুক্তির প্রসারের সাথে সাথে মানহীন কনটেন্ট বা বিভ্রান্তিকর ভিডিও ছড়ানোর মতো চ্যালেঞ্জও তৈরি হতে পারে, যা মোকাবিলায় প্ল্যাটফর্মগুলো নতুন নীতিমালা আনতে পারে।