আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি শেখ হাসিনা বা তার নিয়োজিত কোনো আইনি সংস্থার কাছ থেকে প্রসিকিউশন কোনো ধরনের চিঠি পায়নি। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) গণমাধ্যমের কাছে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
সম্প্রতি বিভিন্ন মাধ্যমে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে যে, শেখ হাসিনাকে দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায়কে ‘আন্তর্জাতিক মানবাধিকার লঙ্ঘন’ আখ্যা দিয়ে তা বাতিল চেয়ে ট্রাইব্যুনালের ই-মেইলে একটি চিঠি পাঠিয়েছে লন্ডনভিত্তিক প্রখ্যাত আইনি সেবা প্রতিষ্ঠান ‘কিংসলি ন্যাপলি এলএলপি’ (Kingsley Napley LLP)। এই তথ্যের প্রেক্ষিতে প্রসিকিউশন নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে।
এ বিষয়ে আইনি ব্যাখ্যা দিয়ে চিফ প্রসিকিউটর জানান:
আইনজীবী নিয়োগের সুযোগ নেই: দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, বিচার চলাকালীন কোনো আসামি পলাতক থাকলে তার পক্ষে আইনি লড়াইয়ের জন্য আইনজীবী নিয়োগ দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
আদালত অবমাননা: পলাতক আসামির পক্ষে এ ধরনের কোনো চিঠি পাঠানো বা আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করা সরাসরি আদালত অবমাননার শামিল।
এদিন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে:
হাছান মাহমুদসহ ২২ জনের তদন্ত প্রতিবেদন: জুলাই বিপ্লব চলাকালে ১৩ জনকে হত্যার অভিযোগে করা একটি মামলায় সাবেক মন্ত্রী হাছান মাহমুদসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনের হাতে এসে পৌঁছেছে।
ইনুর পুনঃতদন্তের আবেদন: জুলাই হত্যাকাণ্ডের অপর একটি মামলায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুর পক্ষে তার আইনজীবীরা পুনরায় তদন্ত চেয়ে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক আবেদন জানিয়েছেন।