ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে জারিকৃত ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ এবং ‘গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫’-কে ‘সম্পূর্ণ বেআইনি ও অবৈধ’ বলে আখ্যায়িত করেছে সরকারি দল বিএনপি। দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তহীন প্রতারণার দলিল ও জাতীয় প্রতারণা। এই আদেশের কোনো আইনি বৈধতা নেই এবং এটি সূচনা থেকেই অবৈধ।’
যার পরিপ্রেক্ষিতে রাস্তায় নামার হুমকি দিতে দিতে সরকারের বিরুদ্ধে নেমেই পড়েছে বিরোধী দল। জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলের ঘোষিত ৫ দিনের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। দেয়া হয়েছে চড়া-কড়া হুমকি। ঢাকার কর্মসূচিতে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেছেন, বিএনপি জনগণের রায় নিয়ে দ্বিচারিতা করে চলছে। গণভোট নিয়ে সংসদে বসে যে সংকট তৈরি করা হয়েছে তা নিরসনে ১১ দলের রাজপথে শক্ত আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
রাজধানীর শাহবাগে লিফলেট বিতরণের মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। সেখানে গোলাম পরওয়ার বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়নের জন্য তাদেরকে রাজপথে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, প্রায় ৭০ ভাগ মানুষ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে রায় দিয়েছে। গণভোটের ব্যালটে কোনো নোট অব ডিসেন্ট ছিল না, তারা ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে নোট অব ডিসেন্টকে খারিজ করে দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীও ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে কথা বলেছেন এবং এতে ভোট দিয়েছেন। এর মাধ্যমে সব সংস্কারের পক্ষে আপনি ‘হ্যাঁ’ বলেছেন। তার প্রশ্ন-এখন কি সেই ভোটের ফলাফলকে অস্বীকার করবেন? তিনি প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে আরও বলেন, আপনার সৃষ্টি করা এ সংকট আপনাকেই সমাধান করতে হবে। বৃহস্পতিবার বগুড়া ও শেরপুরে উপ-নির্বাচনে কেন্দ্র দখল, এজেন্টদের বের করে দেওয়া, আগেই এজেন্টদের স্বাক্ষর নেওয়া, মারপিট, রক্তাক্ত পরিবেশ সৃষ্টির তীব্র নিন্দাও জানানো হয়েছে। বলা হয়েছে, এসব ঘটনায় বিএনপি সরকার প্রমাণ করেছে, দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হয় না। এতে আরেকটি মাগুরা নির্বাচনের প্রমাণ হলো।
বিরোধী দলীয় নেতা জামায়াতের ইসলামী আমির ডা. শফিকুর রহমানের বয়ান আরো কঠোর। তার ভাষায়: বিএনপি প্রমাণ করলো হাসিনা খারাপ কিন্তু হাসিনার নীতি ভালো। বৃহস্পতিবার রাতে সংসদ অধিবেশন শেষে বিরোধী দলের জরুরি সংবাদ সম্মেলন তিনি এ কথা বলেন। এর আগে সন্ধ্যায় জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডাকে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন সংসদের বিরোধী দল। সন্ধ্যা ৬টার দিকে ‘গণবিরোধী’ বিল পাসের অভিযোগ এনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ থেকে ওয়াকআউট করে তারা। ওয়াকআউটের আগমুহূর্তে স্পিকারের অনুমতিতে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘দুঃখজনক হলেও সত্য… বিরোধী দলের যৌক্তিক বাধা সত্ত্বেও যে কয়েকটি গণবিরোধী বিল আজকে পাস হয়েছে, তারা এর দায় নিতে চান না। দিনটিতে ঘটে গেছে আরেকটি ঘটনা। সংসদে পাস হয়েছে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) আইন সংশোধনের বিল।
এতে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর দেশীয় সহযোগীদের তালিকায় তৎকালীন মুসলিম লীগ, জামায়াতে ইসলামী ও নেজামে ইসলাম পার্টির নাম বহাল রয়েছে। এতে জামায়াতের পক্ষ থেকে আপত্তি জানিয়ে বক্তব্য তুললেও তবে তাদের জোটসঙ্গী এনসিপিপক্ষ থেকে এই বিলের ওপর কোনো আপত্তি নেই বলে স্পিকারকে লিখিতভাবে জানানো হয়। জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা বিলের ওপর আপত্তি জানিয়ে দীর্ঘ বক্তব্য দিলেও বিলের কোন ধারায় তিনি সংশোধন চান, তা উল্লেখ করেননি। ফলে স্পিকার তার আপত্তির বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে ভোট দেননি। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা এ অধ্যাদেশে ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’, ‘মুক্তিযুদ্ধ’, ‘মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্য’ এবং ‘মুক্তিযুদ্ধের সহযোগীর’ সংজ্ঞা নতুন করে নির্ধারণ করা হয়। সেখানে ছিল পাকিস্তানি বাহিনীর দেশীয় সহযোগীদের তালিকায় তৎকালীন মুসলিম লীগ, জামায়াতে ইসলামী ও নেজামে ইসলাম পার্টির নাম।
বিলের মূল আপত্তির জায়গা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, স্বাধীনতার পরের সরকার, জিয়াউর রহমান বা খালেদা জিয়ার সরকার কেউই আইনের সংজ্ঞায় রাজনৈতিক দলগুলোর নাম এভাবে আনেনি। তার ভাষায়, বিষয়টি প্রথমে শেখ হাসিনার আমলে এসেছে, পরে অন্তর্বর্তী সরকারও ‘সামান্য পরিবর্তনসহ’ সেই ধারাবাহিকতা রেখেছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আল্লাহ ভালো জানেন, ’৭১ সালের সেই চরম সময়ে কার কী ভূমিকা ছিল। আল্লাহই পূর্ণাঙ্গ সাক্ষী, আমরা বাকিরা আংশিক সাক্ষী। বিরোধী দলের তীব্র আপত্তি স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা নিয়েও। সংসদে উত্থাপিত নতুন বিলের তীব্র সমালোচনা করেছেন এনসিপির সংসদ সদস্য হান্নান মাসুদ। তার অভিযোগ: এই বিলের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার প্রশাসনের ‘পিঠে ছুরিকাঘাত’ করা হচ্ছে। একইসঙ্গে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন—সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে বিএনপি কি ‘আরেকটা আওয়ামী লীগ’ হয়ে ওঠার চেষ্টা করছে কি না? তার দাবি, এটি বিএনপির ৩১ দফার ইশতেহারেও ছিল না। ৩১ দফার ২০ নং দফায় স্পষ্ট বলা ছিল—মৃত্যু বা আদালতের দণ্ড ছাড়া নির্বাচিত প্রতিনিধিকে অপসারণ করা হবে না। আজ কি বিএনপি সেই কথা ভুলে গেছে? নাকি মেজরিটি পাওয়ারের মধ্য দিয়ে তারা আসলে আরেকটা আওয়ামী লীগ হয়ে ওঠার চেষ্টা করছে?’
বিলের ‘বিশেষ পরিস্থিতি’ এবং ‘জনস্বার্থে অপসারণ’ সংক্রান্ত বিধানের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘বিশেষ পরিস্থিতি বলতে কী বোঝানো হচ্ছে? শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসনামলে ভোট চোরদের সরাতে যে অধ্যাদেশ হয়েছিল, সেটিকে এখন আইনে রূপান্তর করে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের গলার কাঁটা বানানো হচ্ছে। বিশেষ পরিস্থিতির দোহাই দিয়ে যেকোনো মেয়র বা কাউন্সিলরকে সরিয়ে দিয়ে দলীয় লাঠিয়াল বা মন্ত্রী-এমপির সন্তানদের প্রশাসক হিসেবে বসানোর পাঁয়তারা চলছে।’ সনদ নিয়ে মসনদের সাথে দূরত্ব স্পষ্ট। স্থানিয় সরকার, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধ কাউন্সিল আইনসহ নানা বিষয়েই বিরোধ পাকছে। ‘গণভোট’ ও ‘জুলাই সনদ’ তো রাজনীতির কেন্দ্রীয় ইস্যুতেই চলে এসেছে। এ নিয়ে রাজনৈতিক বিরোধ ও মেরুকরণ সংসদ থেকে রাজপথে চলে এসেছে।
এর প্রথম কারণটি আইনি ও পদ্ধতিগত। বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমদের মতে, রাষ্ট্রপতির আদেশে যেভাবে ‘গণভোট’ আয়োজন করা হয়েছে, তা অনেকটা ‘কলার ভেতরে তিতো ওষুধ’ খাওয়ানোর মতো। জবাবে সংসদে এনসিপি নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ প্রথাগত রাজনীতিকদের ‘সুযোগ সন্ধানী’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তার যুক্তি অত্যন্ত তীক্ষ্ণ—যদি ৭২-এর সংবিধানকেই ‘বাইবেল’ মানতে হয়, তবে ৫ আগস্টের পর বেগম খালেদা জিয়া কোন সংবিধানে মুক্তি পেলেন? তিনি মনে করিয়ে দেন, সেই মুক্তি সম্ভব হয়েছিল ‘ডকট্রিন অফ নেসেসিটি’ বা বিপ্লবের প্রয়োজনে। তার প্রশ্ন: এখন যখন সংবিধান সংস্কারের কথা আসছে? তখন কেন পুরনো সংবিধানের দোহাই দেওয়া হচ্ছে? একে তিনি ছাত্র-জনতার রক্তের সাথে প্রতারণা হিসেবে দেখছেন। এ বিতর্কে ফায়ার করতে গিয়ে ব্যাক ফায়ার করে বসেছেন আন্দালিব রহমান পার্থ।
তিনি জামায়াত ও এনসিপির যুক্তির বিপরীতে বলেন, বিএনপি ও অন্যান্য দল গত ১৫ বছর ধরে রাজপথে রক্ত দিয়ে আন্দোলনের ‘৩০০ রান’ করে রেখেছে, আর ছাত্ররা এসে শেষ ‘১২ রান’ করে জয় নিশ্চিত করেছে। পার্থের মূল আপত্তি সংবিধান বাতিলে। তিনি মনে করিয়ে দেন, এটি কোনো ‘বিপ্লবী সরকার’ নয়, বরং সংবিধানের অধীনে শপথ নেওয়া ‘অন্তর্বর্তী সরকার’। তাই পূর্ণ সংবিধান বাতিল করার আইনগত সুযোগ নেই। জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পথে সবচেয়ে বড় বাধা এখন ‘পারস্পরিক অবিশ্বাস’। বিএনপি যেখানে আইনি ধারাবাহিকতা রক্ষা করে এগোতে চায়। জামায়াত ও এনসিপি সেখানে আমূল পরিবর্তনের পক্ষে। বিতর্কে জিততে সেরের ওপর সোয়া সের দিতে গিয়ে তারা সরকারকেই অবৈধ বলার সূচনা করে দিয়েছে। আন্দোলনে যাওয়া ছাড়া উপায় নেই বলে, আন্দোলনে নেমেই পড়েছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের লক্ষ্যে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি করা চারটি অধ্যাদেশ বাতিল ও ১৬টি সংশোধনে জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটির সুপারিশে ক্ষুব্ধ আরও কেউ কেউ। সুশাসনের জন্য নাগরিক-(সুজন) থেকে বলা হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশগুলো বাতিলের উদ্যোগ ক্ষমতাসীন বিএনপির অঙ্গীকারের সুস্পষ্ট বরখেলাপ। তাদের কড়া যুক্তি, যে চারটি অধ্যাদেশ বাতিল ও ১৬টি অনুমোদনের বিষয়টি সংসদের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, সেগুলো অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ। এর মধ্যে রয়েছে সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগসংক্রান্ত একটি, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়সংক্রান্ত দুটি, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনসংক্রান্ত তিনটি, গুম প্রতিরোধসংক্রান্ত দুটি ও দুর্নীতি দমন কমিশনসংক্রান্ত একটি অধ্যাদেশ। এর মাধ্যমে চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘাড় মটকে দেওয়া হচ্ছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে ঐকমত্য হয়নি সংসদে। যে যার অবস্থানে অনড়।
বিএনপি বলেছে, নোট অব ডিসেন্টসহ (ভিন্নমত) যেভাবে জুলাই জাতীয় সনদ সই হয়েছে, সেটা তারা অক্ষরে অক্ষরে মানবে। তারা সে অনুযায়ী, সংসদে নিয়মিত প্রক্রিয়ায় সংবিধান সংশোধনের কথা বলেছে। অন্যদিকে, বিরোধী দল বিদ্যমান সংবিধানের সংস্কার চায়। সংবিধানের ওই জায়গাগুলো পরিবর্তন চায়, যেগুলো গত ৫৪ বছরে বারবার ফ্যাসিবাদের জন্ম দিয়েছে। যুক্তিতে উভয়ই কড়া। এখন বাস্তবতা কেবল বিতর্ক নয়, আরও বেশি কিছুতে গড়াচ্ছে। কথায় কথায় খুঁত ধরা, খোঁচা দেওয়ার এক ধুম পড়েছে। তা করতে গিয়ে কেউ কারও ইজ্জত রাখছেন না। নানা তিতা কথা নিয়ে আসা হচ্ছে সামনে। নতুন নতুন তত্ত্ব, নিজেকে জাহিরসহ জ্ঞান বিতরণের ধুম বইছে। সংবিধান সংস্কার করা যায় না স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিনের এমন দাবি নিয়ে ট্রলের হিড়িক। একদিকে সংসদে সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ, আরেকদিকে রাজপথে কর্মসূচি। সরকারেরও শক্তপোক্ত অবস্থান। বলার চেষ্টা করছে তারা আমরা ঐতিহাসিকভাবে স্বাক্ষরিত জুলাই জাতীয় সনদের প্রতিটি অক্ষর, শব্দ ও বাক্য ধারণ করি। আমরা রাজনৈতিক সমঝোতার দলিলের ভিত্তিতে সংস্কার চাই, কোনো অবৈধ আদেশের ভিত্তিতে নয়। মনে রাখতে হবে, দেশের জনগণ বিএনপিকে ৫১ শতাংশ ভোট দিয়ে ম্যান্ডেট দিয়েছে।
সরকার আবার জুলাই সনদ ও গণভোট অধ্যাদেশকে আখ্যা দিচ্ছে, অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তহীন প্রতারণা হিসেবে। আর তাই সরকার পক্ষের এ ধরনের বয়ানের তেজের সুযোগ নিচ্ছে বিরোধী দল। তারা বলছে,যারা কখনও কখনও কনফার্মিস্ট, কখনও কখনও রিফর্মিস্ট, তারা মূলত অপর্চুনিস্ট। সংবিধানের কিছু কিছু ধারা মানবো, আর কিছু কিছু ধারা মানবো না আর কখনও কখনও সাংবিধানিক, কখনও কখনও অসাংবিধানিক এটা জাতীকে বিভ্রান্ত করার অপকৌশল। সরকারি দলকে আমাদের কথাগুলো একটু ম্যানুভার করা দরকার।পজিটিভ পলিটিক্স নিয়ে আসেন। কেউ কথা বললেই তাকে জুলাইয়ের বিরুদ্ধে দাঁড় করানোর একটা পাঁয়তারা দেখা যাচ্ছে। এটা আমাদেরকে আবার আওয়ামী লীগ সরকারের কথা মনে করিয়ে দেয়।
…
লেখক ঃ সাংবাদিক ও কলামিস্ট
rintu108@gmail.com