শিরোনামঃ
মাঠে অরক্ষিত কৃষক: বজ্রপাত রোধের কোটি টাকার প্রকল্পগুলো গেল কোথায়? চল্লিশ পেরোলেই খাদ্যাভ্যাসে চাই বাড়তি নজর: সুস্থ থাকতে পুরুষদের যা খাওয়া জরুরি বাবার হাজার কোটি টাকায় মোহ নেই, লন্ডনে সাধারণ চাকরি করেন অক্ষয়-পুত্র প্রধানমন্ত্রী ও জাইমা রহমানকে বাফুফেতে আমন্ত্রণ জানালেন অধিনায়ক আফিদা হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে কাল থেকে সারা দেশে টিকাদান কর্মসূচি শুরু আ. লীগকেও পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া উচিত: রাশেদ খান জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে আইএমএফের শর্তের কোনো সম্পর্ক নেই: অর্থমন্ত্রী সংসদে সরকারি দলের এমপিদের অঙ্গভঙ্গি: তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জামায়াত আমিরের ‘সরকার জ্বালানি সংকট নিয়ে মিথ্যাচার করছে’: সংসদে রুমিন ফারহানা কিউবার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় একজোট মেক্সিকো, স্পেন ও ব্রাজিল
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০২ পূর্বাহ্ন

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে আইএমএফের শর্তের কোনো সম্পর্ক নেই: অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১৮ বার
প্রকাশ: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

দেশে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফের শর্তের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

রোববার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তিনি দাতা সংস্থাগুলোর সঙ্গে চলমান আলোচনা, শর্তাবলি এবং সরকারের জনকল্যাণমুখী অবস্থানের কথা তুলে ধরেন।

চলমান আলোচনা ও সরকারের অবস্থান

অর্থমন্ত্রী জানান, আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকসহ বিভিন্ন দাতা সংস্থার সঙ্গে বর্তমান সরকারের আলোচনা এখনো চলমান। এই আলোচনা আগামী ১৫ থেকে ২০ দিন পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।

তিনি বলেন, “এসব আলোচনা একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং তা এখনো চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। দাতা সংস্থাগুলোর যেমন কিছু শর্ত ও প্রত্যাশা রয়েছে, তেমনি বাংলাদেশেরও নিজস্ব চাওয়া-পাওয়া আছে। তবে দাতা সংস্থার সব শর্ত মেনে নেওয়া সম্ভব নয়, কারণ একটি নির্বাচিত সরকার হিসেবে আমরা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ। জনগণের স্বার্থের বাইরে গিয়ে সরকার কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না।”

জনস্বার্থবিরোধী শর্ত মানবে না সরকার

পূর্ববর্তী সরকারের নেওয়া আইএমএফ কর্মসূচির দিকে ইঙ্গিত করে অর্থমন্ত্রী বলেন, আগের সরকারের নেওয়া কর্মসূচির কিছু শর্ত বর্তমান সরকারের কাছে গ্রহণযোগ্য নাও হতে পারে। সাধারণ মানুষের ওপর চাপ সৃষ্টি করে এমন কোনো সিদ্ধান্ত সরকার নেবে না। যদি কোনো শর্ত জনগণের স্বার্থের পরিপন্থী হয়, তবে নির্বাচিত সরকার তা কোনোভাবেই গ্রহণ করবে না।

আইএমএফ কর্মসূচির ভবিষ্যৎ ও সামাজিক নিরাপত্তা

আইএমএফের বর্তমান কর্মসূচির মেয়াদ আগামী ৬-৭ মাসের মধ্যে শেষ হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, “এরপর নতুন কোনো কর্মসূচিতে যাওয়া হবে কি না, তা বর্তমান সরকার দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে।”

সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ওপর জোর দিয়ে তিনি আরও বলেন, “সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার (সমাজকল্যাণ) বাদ দিয়ে কোনো শর্ত মানার সুযোগ নেই। সরকারের ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি দাতা সংস্থাগুলোর কাছেও অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে গৃহীত হয়েছে।”

জ্বালানির দাম ও মূল্যস্ফীতি

জ্বালানি তেলের সাম্প্রতিক মূল্যবৃদ্ধি ও সংকটের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, “বিশ্ববাজারে তেলের দাম অনেক বাড়লেও সরকার জনগণের কথা চিন্তা করে তা পুরোপুরি সমন্বয় করেনি। এতে সরকারি তহবিলে চাপ তৈরি হলেও সরবরাহ ঠিক রাখা হয়েছে।”

তেলের দাম বাড়ার কারণে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির আশঙ্কার বিষয়ে তিনি বলেন, “শুধু তেলের দাম বাড়লেই মূল্যস্ফীতি বাড়ে—এমন নয়, সামষ্টিক অর্থনীতির আরও অনেকগুলো বিষয় এখানে ভূমিকা রাখে।”


এ জাতীয় আরো খবর...