শিরোনামঃ
রাষ্ট্রপতিকে আইনের আওতায় আনা যায় না, এটা ‘ভুল কনসেপ্ট’: আখতার হোসেন ‘১৭ বছরের ত্যাগ-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গড়ে উঠেছে ছাত্রদল’ ইরান ইস্যুতে ‘প্রকাশ্য’ সমঝোতায় অস্বীকৃতি হোয়াইট হাউসের আসমানী মুসিবত এড়ানোর জন্য ১০টি পরামর্শ চলতি অর্থবছরে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক হাসপাতাল পরিদর্শন, ২ চিকিৎসককে বরখাস্ত আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সেনাবাহিনী গড়তে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী চাকরি না খুঁজে কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তুলুন: নবীন শিক্ষার্থীদের ফখরুল ‘পুরস্কার ও তিরস্কার’ নীতি অব্যাহত রাখার দৃঢ় প্রত্যয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাসপাতালেই ছড়াচ্ছে প্রাণঘাতী সংক্রমণ
সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩০ পূর্বাহ্ন

চলতি অর্থবছরে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৬ বার
প্রকাশ: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬

পণ্য ও সেবা উভয় খাতের রপ্তানিতে ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের প্রত্যাশা নিয়ে চলতি অর্থবছরের (২০২৬-২৭) জন্য ৬৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির আজ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই লক্ষ্যমাত্রা ঘোষণা করেন।

মোট রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে ৫৫ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি এবং ৮ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার সেবা রপ্তানি থেকে অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, গত অর্থবছরে দেশ নির্ধারিত রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে এবং এ খাতে প্রবৃদ্ধিও ছিল মন্থর।

তবে তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, নবনির্বাচিত সরকারের অধীনে নীতিগত স্থিতিশীলতা এবং জাতীয় বাজেটে ঘোষিত ব্যবসাবান্ধব বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে চলতি অর্থবছরে দেশের রপ্তানি খাত আবারও গতি ফিরে পাবে।

তিনি বলেন, রপ্তানি বহুমুখীকরণ সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। বর্তমানে দেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮৫ শতাংশই তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাত থেকে আসে।

একক খাতের ওপর নির্ভরতা কমাতে সরকার চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, জাহাজ নির্মাণ ও জাহাজ পুনর্ব্যবহার (শিপ রিসাইক্লিং), লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং এবং তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) খাতকে রপ্তানি সম্প্রসারণের জন্য অগ্রাধিকার খাত হিসেবে চিহ্নিত করেছে বলে জানান তিনি।

বাজার সম্প্রসারণের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে আরো চার থেকে পাঁচটি দেশের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) কার্যকরের জন্য আগামী সংসদ অধিবেশনে উপস্থাপন করা হবে। একই সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) বাংলাদেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনা শুরু করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের বিষয়ে তিনি বলেন, এ প্রক্রিয়া নিয়ে বিদ্যমান অনিশ্চয়তা অনেকটাই কেটে গেছে। ফলে রপ্তানিকারকরা আগামী তিন বছর বিদ্যমান বাজার সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।

রপ্তানি খাতের অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে জ্বালানি সংকটের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এলএনজি আমদানি বৃদ্ধি এবং শিল্প কারখানায় জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার অতিরিক্ত দু’টি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) স্থাপনের জন্য কাজ করছে।

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও উন্নত ব্যবসা পরিবেশ, বাণিজ্য চুক্তির সম্প্রসারণ এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধি বাংলাদেশের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ও উচ্চতর প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে সহায়ক হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন বাণিজ্যমন্ত্রী ।


এ জাতীয় আরো খবর...