সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:১৬ অপরাহ্ন
/ স্বাস্থ্য
হাসপাতালের বারান্দায় শ্বাসকষ্টে ধুঁকছে কোলের শিশু। অক্সিজেনের ভারী সিলিন্ডার কাঁধে নিয়ে দিশেহারা বাবা ছুটছেন এক শয্যা থেকে অন্য শয্যায়। কোথাও তিল ধারণের ঠাঁই নেই, আইসিইউ তো আক্ষরিক অর্থেই সোনার হরিণ। বিস্তারিত..
দেশের অগ্নিদগ্ধ রোগীদের প্রধান ও একমাত্র পূর্ণাঙ্গ বিশেষায়িত ভরসাস্থল রাজধানীর ‘জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট’। গুরুতর অগ্নিকাণ্ড বা দুর্ঘটনার সময় জাতীয় পর্যায়ে এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু
গত দেড় মাসে সারা দেশে হাম এবং হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে প্রায় তিন শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। সবচেয়ে হৃদয়বিদারক বিষয় হলো, এই মৃতদের তালিকায় সংখ্যাগরিষ্ঠই হলো কোমলমতি শিশু। একটি দেশে
সারাদেশে হামের টিকাদান কর্মসূচি চলমান থাকলেও এই রোগে মৃত্যু বেড়ে যাওয়ার প্রবল আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। প্রান্তিক পর্যায়ে চিকিৎসা সেবার চরম ঘাটতির কারণে রোগীরা বড় শহরমুখী হচ্ছেন, যার ফলে রাজধানী ঢাকার
বাংলাদেশে হামের প্রাদুর্ভাব এক ভয়াবহ ও প্রাণঘাতী রূপ ধারণ করেছে। হামে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া শিশুদের মধ্যে মৃত্যুর হার উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। তবে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও চিকিৎসকরা বলছেন, কেবল হাম
সাপের ছোবল হয়তো কয়েক সেকেন্ডের একটি ঘটনা, কিন্তু এরপর রোগীর স্বজনদের জন্য শুরু হয় এক অন্তহীন দুঃস্বপ্ন। বিষের যন্ত্রণার চেয়েও তাদের কাছে বেশি ভয়ংকর হয়ে ওঠে এক নিদারুণ বাস্তবতার মুখোমুখি
দেশজুড়ে হামের প্রকোপ এক ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। চলমান টিকাদান কর্মসূচি সত্ত্বেও প্রতিদিনই দীর্ঘ হচ্ছে আক্রান্ত ও মৃতের তালিকা, যাদের অধিকাংশই নিষ্পাপ শিশু।  স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী মে মাসের মাঝামাঝি
দেশে হামের প্রাদুর্ভাবে একের পর এক শিশুমৃত্যুর ঘটনার মধ্যেই এবার আরেক মরণব্যাধি জলাতঙ্কের টিকার তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। সরকারি হাসপাতালগুলোতে জলাতঙ্কের টিকা পাওয়া যাচ্ছে না, ফলে বাধ্য হয়ে দ্বিগুণ বা