ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের ভয়াবহ বিস্তৃতির আশঙ্কায় মধ্যপ্রাচ্যের ১৪টি দেশ থেকে নিজ দেশের নাগরিকদের অবিলম্বে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার (২ মার্চ) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এক নজিরবিহীন জরুরি সতর্কবার্তায় নাগরিকদের বাণিজ্যিক বিস্তারিত..
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের রেশ এবার সৌদি আরবের খোদ রাজধানীতে পৌঁছেছে। আজ মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ভোরে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। এই নজিরবিহীন ঘটনার পর পুরো
মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে আবারও যুদ্ধের কালো মেঘ। ইরান, ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শুরু হওয়া সরাসরি সামরিক সংঘাতের উত্তাপ এখন দক্ষিণ এশিয়ার রেমিট্যান্সের প্রধান উৎস উপসাগরীয় দেশগুলোর দোরগোড়ায়। গত কয়েক দিনের পাল্টাপাল্টি
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এখন আর কেবল সীমান্ত সংঘর্ষে সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা এক ভয়াবহ আঞ্চলিক যুদ্ধের রূপ নিয়েছে। সোমবার (২ মার্চ) সকাল থেকে ইসরায়েল অভিমুখে ইরানের ঝাঁকে ঝাঁকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ, কুয়েতে
ইরানের রাজধানী তেহরানসহ গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হওয়া যৌথ সামরিক অভিযানে এখন এক এক করে বিশ্বের প্রভাবশালী দেশগুলো যুক্ত হচ্ছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন এই অভিযানের লক্ষ্য
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি হত্যাকাণ্ডের পর মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। খামেনির প্রয়াণকে কেন্দ্র করে ইরানের নেতৃত্বাধীন ‘অ্যাক্সিস অব রেজিস্ট্যান্স’ বা ‘প্রতিরোধ অক্ষ’-এর শরিক দলগুলো
ইরানের ক্রমবর্ধমান ক্ষেপণাস্ত্র হামলা মোকাবিলায় এবং মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা রক্ষায় একটি বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ঘোষণা করেছেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এবং লঞ্চারগুলো ধ্বংস করার লক্ষ্যে ব্রিটিশ সামরিক
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার রেশ এবার আছড়ে পড়লো সাইপ্রাসে। দেশটিতে অবস্থিত যুক্তরাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি ‘অ্যাক্রোটিনি’তে (Akrotiri) একটি ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। সাইপ্রাস সরকারের পক্ষ থেকে এই হামলার সত্যতা নিশ্চিত করে