রয়টার্স জানায়, ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেওয়া চার আরব দেশের একটি ছিল মরক্কো। অন্য তিনটি দেশ হলো সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও সুদান। ইসরায়েলের সঙ্গে মিসর ও জর্দানের আলাদা শান্তিচুক্তি রয়েছে।
এসব চুক্তির পর ফিলিস্তিনিদের মধ্যে দীর্ঘদিনের একটি আরব অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। ওই অবস্থানে বলা হয়েছিল, ইসরায়েলকে দখল করা ভূখণ্ড থেকে সরে যেতে হবে এবং ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিতে হবে। এর বিনিময়ে আরব দেশগুলোর সঙ্গে ইসরায়েলের স্বাভাবিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছিল। বিবৃতিতে বলা হয়, নিউইয়র্কে তিন পক্ষের একটি বৈঠক হয়েছে।
এতে ছিলেন ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদেওন সার, মরক্কোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী নাসের বুরিতা এবং জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ। বিবৃতিতে বলা হয়, ইসরায়েল ও মরক্কোর সম্পর্ক এগিয়ে নিতে কর্মকর্তারা কয়েকটি পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে দুই দেশের কূটনৈতিক মিশনের মর্যাদা দূতাবাস পর্যায়ে উন্নীত করা এবং রাষ্ট্রদূত নিয়োগ করা।
এ ছাড়া ইসরায়েল ও মরক্কোর মধ্যে বিমান চলাচল বাড়ানোর বিষয়েও তারা একমত হয়েছেন। পারস্পরিক বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক সহজ করতে প্রয়োজনীয় চুক্তিগুলো চূড়ান্ত করার কাজও তারা করবেন।