দীর্ঘ দুই দশক ধরে সফল টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে বাংলাদেশ যে বিধ্বংসী সংক্রামক রোগটিকে প্রায় কোণঠাসা করে ফেলেছিল, সেই ‘হাম’ আবার ভয়াবহ রূপ নিয়ে ফিরে এসেছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের কপালে চিন্তার ভাঁজ বিস্তারিত..
বাংলাদেশে শিশুদের সুরক্ষায় দেশব্যাপী হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান কর্মসূচি চলমান রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে অনেক অভিভাবকের মনেই একটি সাধারণ প্রশ্ন জাগছে—যেসব শিশু ইতোমধ্যেই এই টিকার দুটি ডোজ নিয়ে ফেলেছে, তাদের কেন আবারও
দেশে হামের প্রাদুর্ভাব রোধে সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে কাজ করছে এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার বদ্ধপরিকর। রোববার (১২ এপ্রিল) রাজধানীর কড়াইল বস্তির এরশাদ মাঠে ‘হাম-রুবেলা টিকাদান
দেশে যক্ষ্মা (টিবি) নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচিতে বড় ধরনের স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। গত বছরের শেষ তিন মাসে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) যক্ষ্মা রোগী শনাক্তের হার গত দুই বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। পাশাপাশি দেশের
দেশে শিশুদের মধ্যে হামের প্রকোপ ক্রমেই বাড়ছে। গত ২৪ দিনে প্রায় সাড়ে ১২ হাজার সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হওয়ার তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, ভাইরাসের উচ্চ সংক্রমণশীলতা এবং
বুক জ্বালা, টক ঢেকুর, বমিভাব কিংবা অল্প খেলেই পেট ভরা মনে হওয়া—অ্যাসিডিটির এই লক্ষণগুলো আমাদের অনেকেরই নিত্যসঙ্গী। অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস বা ভাজাপোড়া খাওয়ার কারণে এই সমস্যা প্রকট হয়। তবে হাতের নাগালে
তীব্র গরমে ঘাম ও জীবাণুর সংক্রমণে ত্বকের চুলকানি একটি সাধারণ সমস্যায় পরিণত হয়েছে। অনেকেই সাময়িক আরামের জন্য পাউডার ব্যবহার করলেও এটি স্থায়ী সমাধান দেয় না। তবে রান্নাঘর বা হাতের কাছে
দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা যেমন বাড়ছে, তেমনি বাড়ছে হাসপাতালে তাদের অবস্থানের সময়কাল। চিকিৎসকদের মতে, যেসব শিশু আগে থেকেই অপুষ্টি বা অন্য কোনো দীর্ঘমেয়াদী রোগে (যেমন: