শিরোনামঃ
এম্পটি নেস্ট সিনড্রোম: সন্তান বিচ্ছেদের শূন্যতা—১০টি পরামর্শ পাঁচ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডিপি ওয়ার্ল্ডকে এনসিটি দেওয়ার প্রতিবাদে ১২ অক্টোবর অনশন দিল্লিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা জেন-জিদের দিল্লিতে লকডাউন: ধ্রুব রাঠি-দীপকের পর এবার আটক কেজরিওয়াল-মমতা ব্যানার্জি, যন্তর মন্তরে ব্যাপক ধরপাকড় ব্যাংক খাত পুনর্গঠনে বছরে ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন: গভর্নর ছয় মিনিটও সময় নেয়নি বিএনপি, জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছে: আখতার হোসেন হাম উপসর্গে আরও ৮ জনের মৃত্যু প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব ও বিনিয়োগকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে : হুমায়ুন কবির গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে শহীদ নাজির উদ্দিন জেহাদের আত্মত্যাগ জাতির প্রেরণা : রুহুল কবির রিজভী
রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৯ পূর্বাহ্ন

২০ এপ্রিল থেকে সারাদেশে শুরু হচ্ছে গণ-টিকাদান

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা / ৫৫ বার
প্রকাশ: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব রোধে সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে কাজ করছে এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার বদ্ধপরিকর। রোববার (১২ এপ্রিল) রাজধানীর কড়াইল বস্তির এরশাদ মাঠে ‘হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬’-এর উদ্বোধনকালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এম এ মুহিত এই ঘোষণা দেন।

ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা শনাক্ত ও টিকাদান

প্রতিমন্ত্রী জানান, বৈজ্ঞানিক তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে দেশের ১৮টি জেলার ৩০টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলা শনাক্ত করা হয়েছে। এসব এলাকায় গত ৫ এপ্রিল থেকেই জরুরি ভিত্তিতে বিশেষ টিকাদান শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, “আজ থেকে বড় সিটি কর্পোরেশনগুলোতে কার্যক্রম শুরু হলো এবং আগামী ২০ এপ্রিল থেকে সারাদেশে একযোগে এই বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে।”

শিশুদের সুরক্ষায় ‘হার্ড ইমিউনিটি’

শিশুদের সুরক্ষার ওপর জোর দিয়ে ডা. এম এ মুহিত বলেন, ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী প্রতিটি শিশুকে অবশ্যই টিকার আওতায় আনতে হবে। তিনি ব্যাখ্যা করেন যে, এটি মূলত ‘হার্ড ইমিউনিটি’ বা গোষ্ঠীগত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরির প্রক্রিয়া। একটি নির্দিষ্ট এলাকার অধিকাংশ শিশুকে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হলে হাম ছড়ানোর আর কোনো সুযোগ থাকবে না।

রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ও জনসেবা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের কথা উল্লেখ করে স্বাস্থ্যপ্রতিমন্ত্রী বলেন, “জনগণ যে আশা নিয়ে নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য আমাদের সমর্থন দিয়েছেন, তাদের সেই স্বপ্ন পূরণ করতে আমরা দিনরাত পরিশ্রম করছি। শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা আমাদের অন্যতম প্রধান কাজ। আমরা কেবল নির্বাচনের সময় নয়, সব সময় মানুষের পাশে থাকতে চাই।” তিনি প্রতিপক্ষদের অপপ্রচারে কান না দিয়ে জনগণকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।

উত্তর সিটিতে জেনারেল হাসপাতাল গড়ার পরিকল্পনা

অনুষ্ঠানে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন বলেন, ডিএনসিসির নিজস্ব কোনো জেনারেল হাসপাতাল নেই। মহাখালীর বর্তমান কোভিড হাসপাতালটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ জেনারেল হাসপাতালে রূপান্তর করার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি সেখানে কিছু অব্যবস্থাপনার কথা উল্লেখ করে বলেন, “নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় নগরবাসীকে পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করাই আমাদের লক্ষ্য।”

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর গবেষণা কর্মকর্তা আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী এবং ইউনিসেফ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধিরা।


এ জাতীয় আরো খবর...