একটি সুন্দর সকাল সবসময় সুন্দর দিনের বার্তা দেয় না—গত ১৮ মাসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শাসনামলকে এভাবেই মূল্যায়ন করছেন দেশের সিংহভাগ মানুষ। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে যে বিপুল বিস্তারিত..
নির্বাচনের আগে বিএনপি তাদের ৪০ পৃষ্ঠার দীর্ঘ ইশতেহারে প্রতিশ্রুতির ফুলঝুড়ি সাজিয়েছিল। সরকার গঠনের পর এখন সেই প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নই দলটির সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে
অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ শেষে আজ নতুন রাজনৈতিক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হচ্ছে। দায়িত্ব গ্রহণের শুরুতেই বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারকে মোকাবিলা করতে হবে বিশাল অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ। নতুন সরকারের কাঁধে চাপছে ২৩
দীর্ঘ রাজনৈতিক টানাপোড়েন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কার প্রক্রিয়া এবং অবশেষে একটি নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আগামীকাল মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকার শপথ নিতে যাচ্ছে। জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় যখন নতুন মন্ত্রিসভা
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে কোনো দল যদি এককভাবে ২০০ বা তার বেশি আসনে জয়লাভ করে, তবে তাকে ‘দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা’ বলা হয়। আপাতদৃষ্টিতে এটি একটি বিশাল বিজয় মনে হলেও,
রাজনীতির মঞ্চে আমরা যাদের দেখি—প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী বা এমপি—তারা কি আসলেই সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী? নাকি তাদের আড়ালে এমন এক অদৃশ্য শক্তি কাজ করে, যারা কলকাঠি নেড়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করে, এমনকি সরকার
জাতীয় নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি সই করেছে, তা নিয়ে বড় ধরনের বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। ‘রেসিপ্রোকাল ট্রেড এগ্রিমেন্ট’ বা পারস্পরিক বাণিজ্য
নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা বা ‘ম্যান্ডেট’ পাওয়ার পর রাষ্ট্র সংস্কারের অন্যতম প্রস্তাবনা—জাতীয় সংসদে ‘উচ্চকক্ষ’ গঠন করা হবে কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। জুলাই সনদের