শিরোনামঃ
মশার উপদ্রব থেকে বাঁচার সহজ উপায় ব্রাজিল ম্যাচের জন্য টাকা খরচ করতে চায় না সরকার: আমিনুল হক ঢাকা-যশোর রুটে পুনরায় ফ্লাইট চালু করছে ইউএস-বাংলা পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের নিয়োগে আইনের ব্যত্যয় হয়নি রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় কেউ যেন জেলে না থাকে, সেটা নিশ্চিত করবে সরকার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানগণের সৌজন্য সাক্ষাৎ নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে ৮ হাজার কোটি টাকার পণ্য কিনবে টিসিবি বুদ্ধিবৃত্তিক ফ্যাসিজম চর্চাকারীদের সামাজিকভাবে বয়কটের আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর দেশের সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে চায় ইউএনডিপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় ডেনমার্কের সহযোগিতা কার্যকর ভূমিকা রাখবে : এলজিআরডি মন্ত্রী
বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:২৩ অপরাহ্ন

রোজায় পানি অভাব পূরণে কি করবেন?

লাইফস্টাইল ডেস্ক / ৬৬ বার
প্রকাশ: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬

পবিত্র রমজান মাসে দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার ফলে শরীরে পানিশূন্যতা বা ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি তৈরি হয়। বর্তমানে গরমের তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথে শরীরে পানির চাহিদা আরও বাড়ছে। শরীরকে সচল ও ক্লান্তিহীন রাখতে সেহরি থেকে ইফতার পর্যন্ত সময়ের সঠিক ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত জরুরি।

ইফতার থেকে সেহরি: পানি পানের সঠিক নিয়ম

ইফতারের সময় একবারে অনেক বেশি পানি পান করবেন না। এতে পাকস্থলীর ওপর চাপ পড়ে এবং হজমে সমস্যা হতে পারে। এর পরিবর্তে—

  • ইফতারের শুরুতেই: খেজুর বা ফলের রসের পাশাপাশি ১-২ গ্লাস কুসুম গরম বা স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি পান করুন।

  • রাতের বেলা: ইফতারের পর থেকে সেহরি পর্যন্ত প্রতি ঘণ্টায় অন্তত এক গ্লাস করে পানি পান করার অভ্যাস করুন। ঘুমানোর আগে ১ গ্লাস পানি পান করা শরীরের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে।

  • সেহরিতে: সেহরিতে পর্যাপ্ত পানি পান করুন, তবে অতিরিক্ত চা বা কফি এড়িয়ে চলুন। চা-কফি মূত্রবর্ধক (diuretic), যা শরীর থেকে পানি বের করে দেয়।

খাদ্যাভ্যাসে যে পরিবর্তন আনবেন

শুধু পানি পান করলেই হবে না, শরীরে পানির ভারসাম্য বজায় রাখতে খাবারের তালিকায়ও পরিবর্তন আনতে হবে:

  • ফল ও সবজি: শসা, তরমুজ, মাল্টা, আপেল এবং আঙুরের মতো বেশি পানিযুক্ত ফল ইফতারে রাখুন। এগুলো শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে দারুণ কার্যকর।

  • লবণাক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন: ভাজাপোড়া, অতিরিক্ত তেল ও মশলাযুক্ত এবং অতিরিক্ত লবণাক্ত খাবার তৃষ্ণা বাড়িয়ে দেয়। তাই ইফতারে মুড়ি-ছোলা বা বাড়িতে তৈরি স্বাস্থ্যকর খাবার বেছে নিন।

  • মিষ্টি পানীয় থেকে সাবধান: কৃত্রিম বা চিনির সিরাপযুক্ত শরবত পরিহার করে ডাবের পানি, লেবুর শরবত (অল্প চিনি) বা ফলের তাজা রস পান করুন।

  • দই ও মাঠা: ইফতার বা সেহরিতে দই বা মাঠা রাখতে পারেন। এটি শরীরকে শীতল রাখে এবং হজমে সহায়তা করে।

অতিরিক্ত ঘাম ও পরিশ্রম এড়িয়ে চলুন

রমজানের এই সময়ে দিনের বেলায় কড়া রোদে বেশিক্ষণ থাকা বা ভারী শারীরিক পরিশ্রম করা থেকে বিরত থাকুন। সম্ভব হলে দুপুরের দিকে ঠান্ডা পরিবেশে বিশ্রাম নিন। যদি বাইরে বের হতেই হয়, তবে ছাতা ব্যবহার করুন এবং ঢিলেঢালা সুতির পোশাক পরুন।

পানিশূন্যতার লক্ষণ চিনে রাখুন

শরীরে পানির অভাব হলে মাথা ঘোরা, দুর্বলতা, প্রস্রাবের রঙ গাঢ় হওয়া বা ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দেয়। এমনটা অনুভব করলে সেহরি ও ইফতারের মাঝের সময়ে আরও বেশি পরিমাণে পানি পান করুন এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

মনে রাখবেন, রোজা রেখে সুস্থ থাকা আপনার নিজের হাতেই। সচেতন খাদ্যাভ্যাস ও পর্যাপ্ত পানি পান আপনার রমজানকে করবে সহজ ও আরামদায়ক।


এ জাতীয় আরো খবর...