ছুটির দিনের সন্ধ্যায় সপরিবারে মঞ্চনাটক উপভোগ করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে রাজধানীর বেইলি রোডে মহিলা সমিতির নীলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তনে শিশুতোষ নাটক ‘কবি চিতাবাঘ’ দেখেন তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং কন্যা জাইমা রহমান। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মহিলা সমিতির ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা গাজী ফিরোজ জানান, প্রধানমন্ত্রী সম্পূর্ণ সাধারণ দর্শকের মতোই টিকিট কেটে নাটকটি উপভোগ করেছেন। তাঁর আগমনের বিষয়টি আগে থেকে কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়নি। সচিবালয় থেকে শুধুমাত্র টিকিটের প্রাপ্যতার বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নিজে আসবেন—এমন কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। ফলে মিলনায়তনে তাঁর হঠাৎ উপস্থিতিতে শিশুশিল্পী ও অভিভাবকদের মধ্যে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়।
শিকড় চিলড্রেন থিয়েটারের প্রযোজনায় নির্মিত এই নাটকটি নওশিন আফসানা বৃষ্টির গল্প থেকে নাট্যরূপ দিয়েছেন তপু চন্দ্র দাস। অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেন, “বিনোদনের চেয়েও শিশুশিল্পীদের উৎসাহ দিতেই প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর পরিবার মিলনায়তনে গিয়েছিলেন। তাঁরা যখন মঞ্চে ওঠেন, তখন পুরো মিলনায়তন করতালিতে মুখরিত হয়ে ওঠে। শিশুশিল্পীরা প্রধানমন্ত্রীকে এত কাছ থেকে দেখে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে।”
নাটক শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, ডা. জুবাইদা রহমান ও জাইমা রহমান শিশুশিল্পীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন। পরে তাঁরা শিশুশিল্পীসহ মিলনায়তনে উপস্থিত অন্য শিশুদের সঙ্গে একটি ফটোসেশনে অংশ নেন। প্রধানমন্ত্রীকে এত সহজ ও সাবলীল ভঙ্গিতে সাধারণ মানুষের মাঝে দেখে উপস্থিত অভিভাবকরাও মুগ্ধ হন।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ৩ এপ্রিল কন্যা জাইমা রহমানকে নিয়ে ধানমন্ডির সীমান্ত সম্ভার সিনেমা হলে ‘প্রজেক্ট হেইল মেরি’ সিনেমা দেখতে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্রীয় ব্যস্ততার মাঝেও পরিবারকে সময় দেওয়া এবং দেশের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়ে শিল্পীদের উৎসাহিত করার এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বিশিষ্টজনেরা।